Add to Wishlist
সেলফি
By ঈশিতা ভাদুড়ী
Publisher: একুশ শতক
₹100
“পচিমবঙ্গ বাংলা অকাদেমি” পুরস্কারপ্রাপ্ত লেখিকা ঈশিতা ভাদুড়ীর অনেক গুলি কাব্যগ্রন্থের মধ্যে অন্যতম হলো “সেলফি”। তাঁর সাহিত্য পরিধির পরিচয় এই গ্রন্থে পাওয়া যায়।
বইটি পড়ুন এবং “পাঠক পর্যালোচনা” অংশে গিয়ে রিভিউ দিন। আমরা আপনাদের রিভিউ আমাদের ব্লগ “একুশের আড্ডা” এবং আমাদের Facebook, Twitter, Linkedin এবং Instagram এ প্রকাশ করবো।
In stock
Usually dispatched in 2 to 3 days
Safe & secure checkout
Tags:
ishita bhaduri, selfie, ঈশিতা ভাদুড়ী, সেলফি
“পচিমবঙ্গ বাংলা অকাদেমি” পুরস্কারপ্রাপ্ত লেখিকা ঈশিতা ভাদুড়ীর অনেক গুলি কাব্যগ্রন্থের মধ্যে অন্যতম হলো “সেলফি”। তাঁর সাহিত্য পরিধির পরিচয় এই গ্রন্থে পাওয়া যায়।
Additional information
| Weight | 0.3 kg |
|---|
একই ধরণের গ্রন্থ
রবীন্দ্রসাহিত্যে পল্লীউন্নয়ন ও গ্রামীণ অর্থনীতি
₹500
কবি সাহিত্যিক হিসাবে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এর পরিচিতি যতটুকু, কর্মী হিসাবে পরিচিতি কোনো অংশে কম নয়। ইংরেজের অবহেলা উপেক্ষাকে প্রাধান্য না দিয়ে কোনো প্রকার রাষ্ট্রীয় উদ্যোগ ছাড়াই দেশের বৃহত্তর অংশের বিপন্ন পল্লীর উন্নয়নের যাবতীয় পরিকল্পনা করেছিলেন এবং তার বাস্তবায়ন এর ব্যবস্থা করেছিলেন। গ্রাম সংগঠক রবীন্দ্রনাথের চিন্তার অভিপ্রকাশ ঘটেছে তাঁর সৃষ্ট সাহিত্যের বিচিত্র শাখায়। বর্তমান পুজিঁবাদী জটিল আর্থ -সামাজিক প্রেক্ষাপটে যখন গণতন্ত্র বিপন্ন তখন রবীন্দ্রনাথের উন্নয়ন ভাবনার মানবিক মুখ কিভাবে প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠেছে লেখক তারই বিশ্লেষণ করেছেন।
রবীন্দ্রসাহিত্যে পল্লীউন্নয়ন ও গ্রামীণ অর্থনীতি
₹500
কবি সাহিত্যিক হিসাবে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এর পরিচিতি যতটুকু, কর্মী হিসাবে পরিচিতি কোনো অংশে কম নয়। ইংরেজের অবহেলা উপেক্ষাকে প্রাধান্য না দিয়ে কোনো প্রকার রাষ্ট্রীয় উদ্যোগ ছাড়াই দেশের বৃহত্তর অংশের বিপন্ন পল্লীর উন্নয়নের যাবতীয় পরিকল্পনা করেছিলেন এবং তার বাস্তবায়ন এর ব্যবস্থা করেছিলেন। গ্রাম সংগঠক রবীন্দ্রনাথের চিন্তার অভিপ্রকাশ ঘটেছে তাঁর সৃষ্ট সাহিত্যের বিচিত্র শাখায়। বর্তমান পুজিঁবাদী জটিল আর্থ -সামাজিক প্রেক্ষাপটে যখন গণতন্ত্র বিপন্ন তখন রবীন্দ্রনাথের উন্নয়ন ভাবনার মানবিক মুখ কিভাবে প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠেছে লেখক তারই বিশ্লেষণ করেছেন।
সৃজন চিন্তনে রবীন্দ্রনাথ
₹150
' সৃজন চিন্তনে রবীন্দ্রনাথ ' গ্রন্থে রবীন্দ্রনাথের সৃজনশীলতার অনেকগুলি প্রবন্ধ এবং তার বিশ্লেষণ করা হয়েছে।
রবীন্দ্রনাথ ব্রাহ্ম ধর্মের মানুষ হলেও নিজের ধর্ম সম্পর্কে বলেছেন : আমার ধর্ম মানবধর্ম। মানুষই তাঁর কাছে শেষ সত্য। মুসলমান প্রজার জমিদার হিসেবে রবীন্দ্রনাথ কিভাবে মুসলমান সমাজকে দেখেছেন, শান্তিনিকেতনের সেবাত্রতে নিয়ােজিত রবীন্দ্রনাথ মুসলমানসমাজকে কিভাবে দেখেছেন, মুসলিম লিশা প্রতিষ্ঠা, মুসলমান ছাত্রদের মন্তব, মাদ্রাসায় বাংলা শিক্ষা, কামাল আতাতুর্কের আধুনিক চিন্তা, আকবর শাহের উদারতা প্রমুখ মুসলমান সমাজের এই বিষয়গুলিকে কোন দৃষ্টিভঙ্গিতে দেখেছেন, তার বিশ্লেষণী-সমীক্ষা করা হয়েছে রবীন্দ্রনাথ ও মুসলমান সমাজ প্রবন্ধে।
আমাদের দেহ সাড়ে তিন হাতের মধ্যে বদ্ধ, কিন্তু তাই বলিয়া ঠিক সাডে তিন হাত পরিমাণ গৃহ নির্মাণ করিলে চলে না। স্বাধীন চলাফেরার জন্য অনেকখানি স্থান রাখার প্রয়ােজন হয়, না হলে আমাদের স্বাস্থ্য ও আনন্দের ব্যাঘাত হয়। আমাদের শিক্ষা সম্পর্কে এই কথাটি সত্য। শিক্ষার দ্দেশ্য হওয়া উচিত সুপ্ত চেতনার বিকাশ। শিক্ষার মধ্যে থাকবে মনােজগতের খােরাক, স্বাধীন কল্পনার বিকাশ। কিন্তু রবীন্দ্রনাথ তাঁর শৈশবে এই প্রকৃত শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। যান্ত্রিক শিক্ষার আঘাতে তার শৈশব কিভাবে ক্ষত-বিক্ষত হয়েছে, সেই অনুভূতি পরবর্তীকালে কিভাবে ফুটে উঠেছে, তার অনুসন্ধান করা হয়েছে রবীন্দ্রদৃষ্টিতে শিক্ষার যান্ত্রিকতা' নামক প্রবন্ধে।
পরিভাষা ও নতুন শব্দসৃষ্টিতে রবীন্দ্রনাথ' প্রবন্ধে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ভাষাতাত্ত্বিক গুরুত্বের দিকটি অন্বেষণ করা হয়েছে। তিনি পারিভাষিক শব্দ, নতুন শব্দসৃষ্টির মাধ্যমে কিভাবে বাংলা ভাষাকে উৎকৃষ্টতা দান করেন, তা নিয়ে আলােচনা করা হয়েছে। তাঁর প্রবন্ধ, কবিতা, নাটক, উপন্যাস, ছােটগল্প সমস্ত সাহিত্যধারা অনুসন্ধান করে দেখানাে হয়েছে কোথায় কোথায় নতুন শব্দ ব্যবহার করেছেন, বা একটি শব্দকে ভিন্নতর অর্থে গ্রহণ করেছেন।
সৃজন চিন্তনে রবীন্দ্রনাথ
₹150
' সৃজন চিন্তনে রবীন্দ্রনাথ ' গ্রন্থে রবীন্দ্রনাথের সৃজনশীলতার অনেকগুলি প্রবন্ধ এবং তার বিশ্লেষণ করা হয়েছে।
রবীন্দ্রনাথ ব্রাহ্ম ধর্মের মানুষ হলেও নিজের ধর্ম সম্পর্কে বলেছেন : আমার ধর্ম মানবধর্ম। মানুষই তাঁর কাছে শেষ সত্য। মুসলমান প্রজার জমিদার হিসেবে রবীন্দ্রনাথ কিভাবে মুসলমান সমাজকে দেখেছেন, শান্তিনিকেতনের সেবাত্রতে নিয়ােজিত রবীন্দ্রনাথ মুসলমানসমাজকে কিভাবে দেখেছেন, মুসলিম লিশা প্রতিষ্ঠা, মুসলমান ছাত্রদের মন্তব, মাদ্রাসায় বাংলা শিক্ষা, কামাল আতাতুর্কের আধুনিক চিন্তা, আকবর শাহের উদারতা প্রমুখ মুসলমান সমাজের এই বিষয়গুলিকে কোন দৃষ্টিভঙ্গিতে দেখেছেন, তার বিশ্লেষণী-সমীক্ষা করা হয়েছে রবীন্দ্রনাথ ও মুসলমান সমাজ প্রবন্ধে।
আমাদের দেহ সাড়ে তিন হাতের মধ্যে বদ্ধ, কিন্তু তাই বলিয়া ঠিক সাডে তিন হাত পরিমাণ গৃহ নির্মাণ করিলে চলে না। স্বাধীন চলাফেরার জন্য অনেকখানি স্থান রাখার প্রয়ােজন হয়, না হলে আমাদের স্বাস্থ্য ও আনন্দের ব্যাঘাত হয়। আমাদের শিক্ষা সম্পর্কে এই কথাটি সত্য। শিক্ষার দ্দেশ্য হওয়া উচিত সুপ্ত চেতনার বিকাশ। শিক্ষার মধ্যে থাকবে মনােজগতের খােরাক, স্বাধীন কল্পনার বিকাশ। কিন্তু রবীন্দ্রনাথ তাঁর শৈশবে এই প্রকৃত শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। যান্ত্রিক শিক্ষার আঘাতে তার শৈশব কিভাবে ক্ষত-বিক্ষত হয়েছে, সেই অনুভূতি পরবর্তীকালে কিভাবে ফুটে উঠেছে, তার অনুসন্ধান করা হয়েছে রবীন্দ্রদৃষ্টিতে শিক্ষার যান্ত্রিকতা' নামক প্রবন্ধে।
পরিভাষা ও নতুন শব্দসৃষ্টিতে রবীন্দ্রনাথ' প্রবন্ধে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ভাষাতাত্ত্বিক গুরুত্বের দিকটি অন্বেষণ করা হয়েছে। তিনি পারিভাষিক শব্দ, নতুন শব্দসৃষ্টির মাধ্যমে কিভাবে বাংলা ভাষাকে উৎকৃষ্টতা দান করেন, তা নিয়ে আলােচনা করা হয়েছে। তাঁর প্রবন্ধ, কবিতা, নাটক, উপন্যাস, ছােটগল্প সমস্ত সাহিত্যধারা অনুসন্ধান করে দেখানাে হয়েছে কোথায় কোথায় নতুন শব্দ ব্যবহার করেছেন, বা একটি শব্দকে ভিন্নতর অর্থে গ্রহণ করেছেন।
পূর্বোত্তরে অন্য রবীন্দ্রনাথ
₹100
শান্তিনিকেতনে মণিপুরী মহিলা শিল্পী চেয়েছিলেন। সব মিলিয়ে উত্তর পূর্বাঞ্চলের নানা সম্পদ সম্ভাবনা যেন কবিকে নাড়া দিয়েছিল। এমন কি এই অঞ্চলের প্রাকৃতিক সম্পদ সম্পর্কেও কবি ওয়াকিবহাল ছিলেন। ত্রিপুরায় যে খুব উৎকৃষ্ট জাতের মুলিবাঁশ জন্মে তাও জানা ছিল কবির। আচার্য জগদীশচন্দ্র বসুর গবেষণা কাজের জন্য কবি এই মুলিবাঁশের চারা চেয়ে পাঠিয়েছিলেন ত্রিপুরার কাছে। ত্রিপুরার প্রত্ন সম্পদ সংরক্ষনেও রাজাকে পরামর্শ দিয়েছিলেন তিনি। শিলং-এর নৈসর্গিক পরিবেশ কবিকে আকৃষ্ট করেছিল। 'শেষের কবিতা’র পটভূমি তাই উজ্জ্বল হয়ে আছে রবীন্দ্র সাহিত্যে। শিলং অবস্থান কালেও কিছু উল্লেখযােগ্য সৃষ্টি রয়েছে কবির। ত্রিপুরা সফরের আগেই রবীন্দ্রনাথ সৃষ্টি করেছিলেন রাজর্ষি ত্রিপুরার ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে মানবিক মূল্যবােধের উপন্যাস। লিখেছিলেন বিসর্জন, মুকুট।
যাই হােক, পূর্বোত্তরের সঙ্গে কবির যােগাযােগের নানা প্রসঙ্গ নিয়ে রচিত হয়েছে 'পূর্বোত্তরে অন্য রবীন্দ্রনাথ'। কবির চিঠিপত্র, বক্তৃতার অংশ বিশেষ, সফর বিবরণী, সম্বর্ধনা ইত্যাদি বিষয়ে কিছু কিছু তথ্য সন্নিবিষ্ট করা হয়েছে এতে। সামগ্রিক ভাবে সেদিন যে পূর্বোত্তর এক অন্য রবীন্দ্রনাথের সাক্ষাৎ পেয়েছিল তাই তুলে ধরা হয়েছে গ্রন্থটিতে।
পূর্বোত্তরে অন্য রবীন্দ্রনাথ
₹100
শান্তিনিকেতনে মণিপুরী মহিলা শিল্পী চেয়েছিলেন। সব মিলিয়ে উত্তর পূর্বাঞ্চলের নানা সম্পদ সম্ভাবনা যেন কবিকে নাড়া দিয়েছিল। এমন কি এই অঞ্চলের প্রাকৃতিক সম্পদ সম্পর্কেও কবি ওয়াকিবহাল ছিলেন। ত্রিপুরায় যে খুব উৎকৃষ্ট জাতের মুলিবাঁশ জন্মে তাও জানা ছিল কবির। আচার্য জগদীশচন্দ্র বসুর গবেষণা কাজের জন্য কবি এই মুলিবাঁশের চারা চেয়ে পাঠিয়েছিলেন ত্রিপুরার কাছে। ত্রিপুরার প্রত্ন সম্পদ সংরক্ষনেও রাজাকে পরামর্শ দিয়েছিলেন তিনি। শিলং-এর নৈসর্গিক পরিবেশ কবিকে আকৃষ্ট করেছিল। 'শেষের কবিতা’র পটভূমি তাই উজ্জ্বল হয়ে আছে রবীন্দ্র সাহিত্যে। শিলং অবস্থান কালেও কিছু উল্লেখযােগ্য সৃষ্টি রয়েছে কবির। ত্রিপুরা সফরের আগেই রবীন্দ্রনাথ সৃষ্টি করেছিলেন রাজর্ষি ত্রিপুরার ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে মানবিক মূল্যবােধের উপন্যাস। লিখেছিলেন বিসর্জন, মুকুট।
যাই হােক, পূর্বোত্তরের সঙ্গে কবির যােগাযােগের নানা প্রসঙ্গ নিয়ে রচিত হয়েছে 'পূর্বোত্তরে অন্য রবীন্দ্রনাথ'। কবির চিঠিপত্র, বক্তৃতার অংশ বিশেষ, সফর বিবরণী, সম্বর্ধনা ইত্যাদি বিষয়ে কিছু কিছু তথ্য সন্নিবিষ্ট করা হয়েছে এতে। সামগ্রিক ভাবে সেদিন যে পূর্বোত্তর এক অন্য রবীন্দ্রনাথের সাক্ষাৎ পেয়েছিল তাই তুলে ধরা হয়েছে গ্রন্থটিতে।
নন্দকুমার
₹100
নাট্যকার হিসাবে ক্ষীরােদপ্রসাদ বিদ্যাবিনােদের যথার্থ স্থান এখনও পর্যন্ত নিরূপিত হয়েছে কিনা বলা শক্ত। তাঁকে প্রধানত আমরা চিনি, অন্তত জনপ্রিয়তার নিরিখে বিচার করলে, তাঁর নৃত্যগীতালেখ্য 'আলিবাবা' এবং পৌরাণিক নাটক 'নর-নারায়ণ- এর সৌজন্যে। পৌরাণিক নাটকে তার সামর্থ্যের কথা নাট্যসমালােচকগণ স্বীকার করেন। আলিবাবা-র জনপ্রিয়তা এখনও বিলীন নয়।
তার নাটকগুলোর মধ্যে জাতীয় প্রেমের উন্মাদনা ছিল অতি তীব্র। সম্ভবত এই কারণেই শেষােত্ত নাটকটির অভিনয় ও প্রচার বন্ধ করে দেন ইংরেজ সরকার। ক্ষীরােদপ্রসাদের নাট্যরচনার এই পর্যায়টি অনুপুঙ্খ বিচার বিশ্লেষণের অবকাশ আমার ঘটে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য বিশ্ববিদ্যালয়ে ' নন্দকুমার ' নাটকটি আলােচনা করতে গিয়ে। ক্ষীরােদপ্রসাদের স্বাদেশিক বােধ তার ইতিহাস-চেতনাকে আচ্ছন্ন করেছিল কিনা এবং তাতে নাটকের ক্ষতিবৃদ্ধি কিছু ঘটেছে কিনা ইত্যাকার বিষয়ে কিছু ধারণা তৈরি করতে পেরেছিলাম। এই ক্ষুদ্র গ্রন্থটি তারই অতিসামান্য পরিচয় বহন করবে।
নন্দকুমার
₹100
নাট্যকার হিসাবে ক্ষীরােদপ্রসাদ বিদ্যাবিনােদের যথার্থ স্থান এখনও পর্যন্ত নিরূপিত হয়েছে কিনা বলা শক্ত। তাঁকে প্রধানত আমরা চিনি, অন্তত জনপ্রিয়তার নিরিখে বিচার করলে, তাঁর নৃত্যগীতালেখ্য 'আলিবাবা' এবং পৌরাণিক নাটক 'নর-নারায়ণ- এর সৌজন্যে। পৌরাণিক নাটকে তার সামর্থ্যের কথা নাট্যসমালােচকগণ স্বীকার করেন। আলিবাবা-র জনপ্রিয়তা এখনও বিলীন নয়।
তার নাটকগুলোর মধ্যে জাতীয় প্রেমের উন্মাদনা ছিল অতি তীব্র। সম্ভবত এই কারণেই শেষােত্ত নাটকটির অভিনয় ও প্রচার বন্ধ করে দেন ইংরেজ সরকার। ক্ষীরােদপ্রসাদের নাট্যরচনার এই পর্যায়টি অনুপুঙ্খ বিচার বিশ্লেষণের অবকাশ আমার ঘটে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য বিশ্ববিদ্যালয়ে ' নন্দকুমার ' নাটকটি আলােচনা করতে গিয়ে। ক্ষীরােদপ্রসাদের স্বাদেশিক বােধ তার ইতিহাস-চেতনাকে আচ্ছন্ন করেছিল কিনা এবং তাতে নাটকের ক্ষতিবৃদ্ধি কিছু ঘটেছে কিনা ইত্যাকার বিষয়ে কিছু ধারণা তৈরি করতে পেরেছিলাম। এই ক্ষুদ্র গ্রন্থটি তারই অতিসামান্য পরিচয় বহন করবে।
বাংলার দলিত আন্দোলনের ইতিবৃত্ত
₹800
" বাংলার দলিত আন্দোলনের ইতিবৃত্ত "এই বিপুলায়তন গ্রন্থে 'কৈবর্ত বিদ্রোহ', 'চুয়াড় বিদ্রোহ', 'চাকমা ও গারো বিদ্রোহ', 'হাজং বিদ্রোহ', 'মালপাহাড়িয়া, কোল এবং লোধা বিদ্রোহ', 'সাঁওতাল বিদ্রোহ', 'নায়েক বিদ্রোহ', 'মতুয়াধর্ম আন্দোলন' থেকে শুরু করে 'দলিত সাহিত্য আন্দোলন' পর্যন্ত দীর্ঘকালবলয়ে বিভিন্ন দলিত সংগ্রামকে ৪৪টি প্রবন্ধে ধারণ করা হয়েছে। প্রবন্ধগুলি নানা মাপের এবং নানা ওজনের বেশ কিছু প্রবন্ধ রচনা করেছেন দলিত সম্প্রদায়ের মানুষেরাই সমাজে তাদের অবস্থান অনুধাবনের জন্য। পুরনো দিনে তাদের অবস্থানের কথা, তাদের লড়াইয়ের কথা, তাঁদের উত্তরাধিকারীদের মধ্যে সঞ্চারিত করার জন্যই তথ্য-প্রমাণ সংগ্রহ করে তারা এইসব প্রবন্ধ রচনা করেছেন। কিছু রচনা নির্মাণ করেছেন শুভবুদ্ধিসম্পন্ন কিছু বর্ণহিন্দু মানুষ।
বাংলার দলিত আন্দোলনের ইতিবৃত্ত
₹800
" বাংলার দলিত আন্দোলনের ইতিবৃত্ত "এই বিপুলায়তন গ্রন্থে 'কৈবর্ত বিদ্রোহ', 'চুয়াড় বিদ্রোহ', 'চাকমা ও গারো বিদ্রোহ', 'হাজং বিদ্রোহ', 'মালপাহাড়িয়া, কোল এবং লোধা বিদ্রোহ', 'সাঁওতাল বিদ্রোহ', 'নায়েক বিদ্রোহ', 'মতুয়াধর্ম আন্দোলন' থেকে শুরু করে 'দলিত সাহিত্য আন্দোলন' পর্যন্ত দীর্ঘকালবলয়ে বিভিন্ন দলিত সংগ্রামকে ৪৪টি প্রবন্ধে ধারণ করা হয়েছে। প্রবন্ধগুলি নানা মাপের এবং নানা ওজনের বেশ কিছু প্রবন্ধ রচনা করেছেন দলিত সম্প্রদায়ের মানুষেরাই সমাজে তাদের অবস্থান অনুধাবনের জন্য। পুরনো দিনে তাদের অবস্থানের কথা, তাদের লড়াইয়ের কথা, তাঁদের উত্তরাধিকারীদের মধ্যে সঞ্চারিত করার জন্যই তথ্য-প্রমাণ সংগ্রহ করে তারা এইসব প্রবন্ধ রচনা করেছেন। কিছু রচনা নির্মাণ করেছেন শুভবুদ্ধিসম্পন্ন কিছু বর্ণহিন্দু মানুষ।
