Add to Wishlist
শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়ের উপন্যাস ভাষা ও শৈলী
By মফিজ উদ্দিন
Publisher: একুশ শতক
₹300
শ্যামল গঙ্গাপাধ্যায় ছিলেন একজন বাঙালি উপন্যাসিক এবং সম্পাদক। তিনি মোগল সম্রাট দারা শুকোহের জীবন অবলম্বনে শাহজাদা দারাসুকো উপন্যাসের জন্য ১৯৯৩ সালে সাহিত্য একাডেমি পুরষ্কার পেয়েছিলেন। লেখক মফিজ উদ্দিন, তাঁর কিছু পছন্দের উপন্যাস এখানে তুলে ধরেছেন।
বইটি পড়ুন এবং “পাঠক পর্যালোচনা” অংশে গিয়ে রিভিউ দিন। আমরা আপনাদের রিভিউ আমাদের ব্লগ “একুশের আড্ডা” এবং আমাদের Facebook, Twitter, Linkedin এবং Instagram এ প্রকাশ করবো।
Usually dispatched in 2 to 3 days
Safe & secure checkout
শ্যামল গঙ্গাপাধ্যায় ছিলেন একজন বাঙালি উপন্যাসিক এবং সম্পাদক। তিনি মোগল সম্রাট দারা শুকোহের জীবন অবলম্বনে শাহজাদা দারাসুকো উপন্যাসের জন্য ১৯৯৩ সালে সাহিত্য একাডেমি পুরষ্কার পেয়েছিলেন। লেখক মফিজ উদ্দিন, তাঁর কিছু পছন্দের উপন্যাস এখানে তুলে ধরেছেন।
Additional information
| Weight | 0.6 kg |
|---|
একই ধরণের গ্রন্থ
আম্বেদকর ও দলিত ভাবনা
₹800
ভারতীয় রক্ষণশীল ব্রাহ্মণ্যবাদী এবং বর্ণাশ্রমবিভাজিত সমাজের জাতিগত দ্বেষণা ও অস্পৃশ্যতার বেড়াজাল ভেঙে বিশ্বের অন্যতম শ্রেষ্ঠ পণ্ডিত এবং দার্শনিক বাবা সাহেব ভীমরাও আম্বেদকরকে মাথা তুলে দাঁড়াতে হয়েছিল। সামাজিকভাবে নিগৃহীত ও অর্থনৈতিকভাবে বঞ্চিত দলিত-মানুষদের সাম্য ও সামাজিক ন্যায় প্রতিষ্ঠার জন্য তাঁকে আজীবন লড়াই করতে হয়েছে। তাঁর সামনে তখন বড়ো বাঁধা ছিল জাতপাত, অস্পৃশ্যতা, ধর্মীয় ও বর্ণগত বৈষম্য। 'মনুসংহিতা'য় বিন্যস্ত এইসব অমানবিক, অশুভ লোকাচারকে তথাকথিত ভগবানের নামে সিলমোহর দিয়ে সংবিধান হিসেবে এরা সমাজ শাসন করেছেন। এ-সব শত্রুর শেকড় উপড়ে ফেলতে আম্বেদকরকে দলিতদের মধ্যে শিক্ষার আলো ছড়িয়ে, সচেতনতা বাড়িয়ে তাঁদের দাবি দাওয়াকে একটি আন্দোলনে সংহত করতে হয়েছে। সমাজে জগদ্দল পাথরের মতো বসে থাকা বর্ণবাদী সংখ্যালঘু একটি অংশের বিরুদ্ধে তাঁকে প্রতিনিয়ত প্রতিবাদ ও প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হয়েছে। কিন্তু তিনি এঁদের কুটবুদ্ধির সঙ্গে পেরে ওঠেননি। সংবিধানের চেয়ারম্যান হয়ে প্রতি পদে পদে বাঁধাপ্রাপ্ত হয়েও তিনি সমাজের দলিত, নিরন্ন ও দুর্বল মানুষের মুক্তির জন্য সংবিধানে কিছু সুযোগ-সুবিধার সংস্থান রেখে যেতে পেরেছিলেন। এরই সুফল ভোগ করছেন এঁরা এখন। তবুও ধর্মের নাগপাশ থেকে মুক্ত হতে শেষ পর্যন্ত তাঁকে মানবতাবাদী বৌদ্ধদর্শনের কাছেই বিনতি মানতে হয়েছে। তিনি জাতপাত, অস্পৃশ্যতা, সামাজিক, অর্থনৈতিক, বর্ণাশ্রম, বর্ণগত বৈষম্য ইত্যাকার নানান অশুভ সামাজিক ব্যাধির বিজ্ঞানভিত্তিক ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণের মাধ্যমে এর শিকড় তুলে দিতে গুরুত্বপূর্ণ সব প্রবন্ধ ও গ্রন্থ লিখেছেন: আইনমন্ত্রী হয়ে আইন তৈরি করেছেন ওইসব মানবতাবিরোধী বিষি ও বিধানের বিরুদ্ধে। তিনি চেয়েছিলেন জাতপাতহীন এক সমাজতান্ত্রিক সমাজ গড়তে। তাঁর স্বপ্নের সেই সামাজিক কাঠামোর পত্তন ও দলিতমুক্তির সামগ্রিক দলিতভাবনার বিশ্লেষণ নিয়েই তৈরি হয়েছে অমোঘ এই গ্রন্থটি
আম্বেদকর ও দলিত ভাবনা
₹800
ভারতীয় রক্ষণশীল ব্রাহ্মণ্যবাদী এবং বর্ণাশ্রমবিভাজিত সমাজের জাতিগত দ্বেষণা ও অস্পৃশ্যতার বেড়াজাল ভেঙে বিশ্বের অন্যতম শ্রেষ্ঠ পণ্ডিত এবং দার্শনিক বাবা সাহেব ভীমরাও আম্বেদকরকে মাথা তুলে দাঁড়াতে হয়েছিল। সামাজিকভাবে নিগৃহীত ও অর্থনৈতিকভাবে বঞ্চিত দলিত-মানুষদের সাম্য ও সামাজিক ন্যায় প্রতিষ্ঠার জন্য তাঁকে আজীবন লড়াই করতে হয়েছে। তাঁর সামনে তখন বড়ো বাঁধা ছিল জাতপাত, অস্পৃশ্যতা, ধর্মীয় ও বর্ণগত বৈষম্য। 'মনুসংহিতা'য় বিন্যস্ত এইসব অমানবিক, অশুভ লোকাচারকে তথাকথিত ভগবানের নামে সিলমোহর দিয়ে সংবিধান হিসেবে এরা সমাজ শাসন করেছেন। এ-সব শত্রুর শেকড় উপড়ে ফেলতে আম্বেদকরকে দলিতদের মধ্যে শিক্ষার আলো ছড়িয়ে, সচেতনতা বাড়িয়ে তাঁদের দাবি দাওয়াকে একটি আন্দোলনে সংহত করতে হয়েছে। সমাজে জগদ্দল পাথরের মতো বসে থাকা বর্ণবাদী সংখ্যালঘু একটি অংশের বিরুদ্ধে তাঁকে প্রতিনিয়ত প্রতিবাদ ও প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হয়েছে। কিন্তু তিনি এঁদের কুটবুদ্ধির সঙ্গে পেরে ওঠেননি। সংবিধানের চেয়ারম্যান হয়ে প্রতি পদে পদে বাঁধাপ্রাপ্ত হয়েও তিনি সমাজের দলিত, নিরন্ন ও দুর্বল মানুষের মুক্তির জন্য সংবিধানে কিছু সুযোগ-সুবিধার সংস্থান রেখে যেতে পেরেছিলেন। এরই সুফল ভোগ করছেন এঁরা এখন। তবুও ধর্মের নাগপাশ থেকে মুক্ত হতে শেষ পর্যন্ত তাঁকে মানবতাবাদী বৌদ্ধদর্শনের কাছেই বিনতি মানতে হয়েছে। তিনি জাতপাত, অস্পৃশ্যতা, সামাজিক, অর্থনৈতিক, বর্ণাশ্রম, বর্ণগত বৈষম্য ইত্যাকার নানান অশুভ সামাজিক ব্যাধির বিজ্ঞানভিত্তিক ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণের মাধ্যমে এর শিকড় তুলে দিতে গুরুত্বপূর্ণ সব প্রবন্ধ ও গ্রন্থ লিখেছেন: আইনমন্ত্রী হয়ে আইন তৈরি করেছেন ওইসব মানবতাবিরোধী বিষি ও বিধানের বিরুদ্ধে। তিনি চেয়েছিলেন জাতপাতহীন এক সমাজতান্ত্রিক সমাজ গড়তে। তাঁর স্বপ্নের সেই সামাজিক কাঠামোর পত্তন ও দলিতমুক্তির সামগ্রিক দলিতভাবনার বিশ্লেষণ নিয়েই তৈরি হয়েছে অমোঘ এই গ্রন্থটি
পঁচিশ ফোড়ন
₹300
একুশ শতকে দাড়িয়ে বিশ শতকের ফেলে আসা নানা ছবিকে ধুলো সরিয়ে ফিরে দেখার গল্প। শৈশব আর কৈশোর বড় কাছের সময়। নিজের সময়। আনন্দের সময়। লেখক কল্যাণ সেনগুপ্ত তেমন ভাবেই দেখেছেন পুরনো কলকাতাকে নিজে বেড়ে ওঠার সময়। তখন টিভি ছিল না, ফোন ছিল না, মেট্রো রেল ছিল না, আধুনিক মল ছিল না কিন্তু পাড়া ছিল, রোয়াক ছিল, প্যান্ডেল করে ফাংশান ছিল। ইস্ট বেঙ্গল মোহনবাগান ছিল, উত্তম সুচিত্রা ছিল। সুখ দুঃখতে ঝাঁপিয়ে পড়া ছিল। এর ওর খবর নেওয়া ছিল। গল্পগুলির মাধ্যমে সেই কিশোরকে আবার ছুঁতে চেয়ে তারই কাছে ফিরে যেতে চেয়েছেন লেখক।
পঁচিশ ফোড়ন
₹300
একুশ শতকে দাড়িয়ে বিশ শতকের ফেলে আসা নানা ছবিকে ধুলো সরিয়ে ফিরে দেখার গল্প। শৈশব আর কৈশোর বড় কাছের সময়। নিজের সময়। আনন্দের সময়। লেখক কল্যাণ সেনগুপ্ত তেমন ভাবেই দেখেছেন পুরনো কলকাতাকে নিজে বেড়ে ওঠার সময়। তখন টিভি ছিল না, ফোন ছিল না, মেট্রো রেল ছিল না, আধুনিক মল ছিল না কিন্তু পাড়া ছিল, রোয়াক ছিল, প্যান্ডেল করে ফাংশান ছিল। ইস্ট বেঙ্গল মোহনবাগান ছিল, উত্তম সুচিত্রা ছিল। সুখ দুঃখতে ঝাঁপিয়ে পড়া ছিল। এর ওর খবর নেওয়া ছিল। গল্পগুলির মাধ্যমে সেই কিশোরকে আবার ছুঁতে চেয়ে তারই কাছে ফিরে যেতে চেয়েছেন লেখক।
বিভূতিভূষণ :অনুভবে ,অন্বেষণে
₹300
বাঙালির প্রিয় লেখক বিভূতিভূষণ। আজও পুনর্পাঠে আমাদের তিনি বিস্মিত করেন। পল্লিপ্রকৃতি, নদী, গাছপালা ও মাটির সোঁদা গন্ধ-এইসব নিয়েই তিনি। এসবের প্রতি তাঁর আকুলতা। সে আকুলতা আমাদেরও ছুঁয়ে-ছুঁয়ে যায়।
শুধু কি প্রকৃতির প্রতি অনুরাগ, তীক্ষ্ণ পর্যবেক্ষণ, তাঁর শব্দের কারুকাজ আজও আমাদের অভিভূত করে রাখে। তিনি জীবনকে দেখেছিলেন, সময়কে চিনেছিলেন। ছিল মানুষের প্রতি অফুরান আস্থা ও সুগভীর ভালোবাসা। সে কারণেই এমন দক্ষ-হাতে আঁকতে পেরেছিলেন সময়ের জলছবি, লিখেছিলেন সময়ের বেদনালিপি 'অশনি সংকেত'-এর মতো উপন্যাস তিনি লিখেছিলেন। তাঁর উপন্যাসে, কত গল্পেই তো মহিমান্বিত হয়ে উঠেছে মানুষ।
ছোটোদের সাহিত্যেও তিনি তুলনারহিত। 'চাঁদের পাহাড়' ঘিরে আমাদের কৌতূহল-বিস্ময় আজও একই রকম। একালের ছোটোরাও মনে মনে 'শঙ্কর' হয়ে যায়, 'অপু' হয়।
বিভূতিভূষণ শুধুই প্রকৃতির, তিনি প্রকৃতির কথাকার, এই চেনা ভাবনা থেকে বেরিয়ে এসেছেন গ্রন্থকার পার্থজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। বিভূতিভূষণের ভাবনার জগৎ যে বহুদূর বিস্তৃত ছিল, দৃষ্টি ছিল প্রসারিত, আড়ালে থাকা সেই সত্যটি স্পষ্ট হয়ে উঠেছে এই সংক্ষিপ্ত আলোচনায়। মিশে আছে বিভিন্ন সময়ে পড়া বিভূতিসাহিত্য ঘিরে বিস্ময় ও মুগ্ধতা। বিভূতিভূষণের গল্প-উপন্যাস নিয়ে আলোচনা তো আছেই, রয়েছে তাঁর দিনলিপির প্রসঙ্গ, শিশু-কিশোর সাহিত্যের প্রসঙ্গ। এমনকি বিভূতিভূষণের শিক্ষকতা, ব্যাকরণ বই লেখার কথাও বাদ পড়েনি। রয়েছেন বিভূতি-পত্নী রমাও। দরকারি তথ্য, প্রয়োজনীয় পঞ্জি। জীবনপঞ্জি, গ্রন্থপঞ্জি, বিভূতিকাহিনি অবলম্বনে নির্মিত চলচ্চিত্রপঞ্জিও।
এই বইটি পড়তে পড়তে প্রিয় লেখক সম্পর্কে নিজের অনুভূতি মিলিয়ে নেওয়ার সুযোগ পাবেন পাঠক। বিভূতিভূষণের পৃথিবী যে কত বড়ো, তা নতুন করে উপলব্ধি করবেন।
বিভূতিভূষণ :অনুভবে ,অন্বেষণে
₹300
বাঙালির প্রিয় লেখক বিভূতিভূষণ। আজও পুনর্পাঠে আমাদের তিনি বিস্মিত করেন। পল্লিপ্রকৃতি, নদী, গাছপালা ও মাটির সোঁদা গন্ধ-এইসব নিয়েই তিনি। এসবের প্রতি তাঁর আকুলতা। সে আকুলতা আমাদেরও ছুঁয়ে-ছুঁয়ে যায়।
শুধু কি প্রকৃতির প্রতি অনুরাগ, তীক্ষ্ণ পর্যবেক্ষণ, তাঁর শব্দের কারুকাজ আজও আমাদের অভিভূত করে রাখে। তিনি জীবনকে দেখেছিলেন, সময়কে চিনেছিলেন। ছিল মানুষের প্রতি অফুরান আস্থা ও সুগভীর ভালোবাসা। সে কারণেই এমন দক্ষ-হাতে আঁকতে পেরেছিলেন সময়ের জলছবি, লিখেছিলেন সময়ের বেদনালিপি 'অশনি সংকেত'-এর মতো উপন্যাস তিনি লিখেছিলেন। তাঁর উপন্যাসে, কত গল্পেই তো মহিমান্বিত হয়ে উঠেছে মানুষ।
ছোটোদের সাহিত্যেও তিনি তুলনারহিত। 'চাঁদের পাহাড়' ঘিরে আমাদের কৌতূহল-বিস্ময় আজও একই রকম। একালের ছোটোরাও মনে মনে 'শঙ্কর' হয়ে যায়, 'অপু' হয়।
বিভূতিভূষণ শুধুই প্রকৃতির, তিনি প্রকৃতির কথাকার, এই চেনা ভাবনা থেকে বেরিয়ে এসেছেন গ্রন্থকার পার্থজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। বিভূতিভূষণের ভাবনার জগৎ যে বহুদূর বিস্তৃত ছিল, দৃষ্টি ছিল প্রসারিত, আড়ালে থাকা সেই সত্যটি স্পষ্ট হয়ে উঠেছে এই সংক্ষিপ্ত আলোচনায়। মিশে আছে বিভিন্ন সময়ে পড়া বিভূতিসাহিত্য ঘিরে বিস্ময় ও মুগ্ধতা। বিভূতিভূষণের গল্প-উপন্যাস নিয়ে আলোচনা তো আছেই, রয়েছে তাঁর দিনলিপির প্রসঙ্গ, শিশু-কিশোর সাহিত্যের প্রসঙ্গ। এমনকি বিভূতিভূষণের শিক্ষকতা, ব্যাকরণ বই লেখার কথাও বাদ পড়েনি। রয়েছেন বিভূতি-পত্নী রমাও। দরকারি তথ্য, প্রয়োজনীয় পঞ্জি। জীবনপঞ্জি, গ্রন্থপঞ্জি, বিভূতিকাহিনি অবলম্বনে নির্মিত চলচ্চিত্রপঞ্জিও।
এই বইটি পড়তে পড়তে প্রিয় লেখক সম্পর্কে নিজের অনুভূতি মিলিয়ে নেওয়ার সুযোগ পাবেন পাঠক। বিভূতিভূষণের পৃথিবী যে কত বড়ো, তা নতুন করে উপলব্ধি করবেন।
আসামে বাঙালি মৃগয়া
₹300
আসামে বাঙালি মৃগয়া গ্রন্থের প্রকৃত লেখক হলো সময়। না, এ কোনো বিনয়-বচন নয়; এর চেয়ে বড়ো সত্যবদ্ধ স্বর আর কিছু নেই এই মুহূর্তে। এই বইতে যেসব বয়ান ও তথ্য সংকলিত হয়েছে,তা নিয়ে ইতিমধ্যে দুঃসময়ের জটিলতর আবর্ত তৈরি হয়ে গেছে। এ যেন দ্রৌপদীর শাড়ির মতো অফুরান; তাতে ভাজের পরে ভাঁজ, পরতের পরে পরত। আসামের বাঙালির শত্রু ঘরে এবং বাইরে আরও দুর্বার হয়ে পড়েছে। নাগরিকপঞ্জি তৈরির অজুহাতে রাষ্ট্রশক্তি বাঙালির জাতিসাকে মুছে ফেলতে চাইছে। শুধু আসামের বাঙালিই বিপন্ন নয়, পশ্চিমবঙ্গ সহ ভারতের সর্বত্র বাংলাভাষী হিন্দি-হিন্দু-হিন্দুস্থান নীতির ফ্যাসিবাদী সন্ত্রাসে সর্বস্বান্ত হতে বসেছেন। এত বড়ো দুঃসময় দেশভাগের আঁধির প্রহরেও দেখা যায়নি। আসামে এবং পশ্চিমবঙ্গে, ভারতের অন্যান্য প্রদেশেও, শত্রুপক্ষ উইপোকাদের নিশ্চিহ্ন করার প্রাথমিক উদ্যমে সফল হয়ে গেছে।
হিন্দুত্ববাদের এবং ইসলামি মৌলবাদের চোরাবালিতে ডুবে যাচ্ছে বাঙালি। সাধারণ নির্বাচনের ঢাকের বাদ্যি হয়ে পড়েছে মেকি দেশপ্রেম। শহরে ও মফস্বলে বাঙালি আর বাঙালি নেই; তারা সেই হিন্দুস্তানের কাছে মেরুদণ্ড সঁপে দিয়েছে যা তাদের জাতিসত্তাকে মধ্যযুগের ঘনঘোর অন্ধকারে ডুবিয়ে দিয়েছে। যা শুরু হয়েছিল আসামের বাঙালিদের নাগরিক অধিকার কেড়ে নেওয়ার প্রক্রিয়ায় অচিরেই তা জাতীয় মহাশ্মশানে এবং সমাধিভূমিতে পরিসমাপ্ত হবে। বোধ-বুদ্ধি বিসর্জন দিয়ে বাঙালি হিন্দি-আধিপত্যবাদের লেজুড়বৃত্তি করছে প্রকাশ্যে। তাই সীমাহীন দুর্নীতি, প্রশাসনিক নৈরাজ্য, সাম্প্রদায়িক ঘৃণা ও বিদ্বেষের মহামারী আর্থসামাজিক বিনাশ ও কৃত্রিম দেশপ্রেমের বানানো বন্যায় হারিয়ে যেতে বসেছে। আর এই সুযোগে বাঙালি-বিদ্বেষী অসমিয়া আধিপত্যবাদ (এবং বিভিন্ন প্রাদেশিক প্রভুত্ববাদ) ফ্যাসিবাদী রাষ্ট্রশক্তির প্রকাশ্য মদতে বাঙালি-মৃগয়ার অস্তিম পর্যায়ে ঝাঁপিয়ে পড়েছে।
রণক্লান্ত সমাজকর্মী ও মানবাধিকারকর্মীরা দুরূহতম এই সংকটে নিশ্চয় উটপাখির মতো বালিতে মুখ গুঁজে দেবেন না। যে-কোনোভাবে সীমাহীন রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসের মোকাবিলায় তাদের তৈরি থাকতেই হবে। এই বইকে যদি আমাদের সামূহিক জেগে থাকার দস্তাবেজ হিসেবে গ্রহণ করেন পড়ুয়ারা, তবেই এ প্রয়াস সার্থক হবে। আমরা যারা ক্ষমতা কেন্দ্রের লজ্জাহীন আক্রোশের প্রতি তর্জনি সংকেত করতে চেয়েছি, আত্মিক নৈরাজ্যের মুখোমুখি হয়েও জাতিসত্তার প্রশ্নে আপসরফা করতে রাজি নই। এই আমাদের সমবায়ী স্বর ও প্রত্যয় যা বইতে ব্যক্ত হয়েছে। বাঙালি আসামে থাকুক বা পশ্চিমবঙ্গে বা অন্য কোথাও আমরা বারবার এই ঘোষণাই করব : বাঙালির কোনো হিন্দু-মুসলমান-খ্রিস্টীয়-বৌদ্ধ হয় না; বাঙালি শুধুই বাঙালি।
আসামে বাঙালির অস্তিত্ব রক্ষার যুদ্ধ জারি থাকবে...
আসামে বাঙালি মৃগয়া
₹300
আসামে বাঙালি মৃগয়া গ্রন্থের প্রকৃত লেখক হলো সময়। না, এ কোনো বিনয়-বচন নয়; এর চেয়ে বড়ো সত্যবদ্ধ স্বর আর কিছু নেই এই মুহূর্তে। এই বইতে যেসব বয়ান ও তথ্য সংকলিত হয়েছে,তা নিয়ে ইতিমধ্যে দুঃসময়ের জটিলতর আবর্ত তৈরি হয়ে গেছে। এ যেন দ্রৌপদীর শাড়ির মতো অফুরান; তাতে ভাজের পরে ভাঁজ, পরতের পরে পরত। আসামের বাঙালির শত্রু ঘরে এবং বাইরে আরও দুর্বার হয়ে পড়েছে। নাগরিকপঞ্জি তৈরির অজুহাতে রাষ্ট্রশক্তি বাঙালির জাতিসাকে মুছে ফেলতে চাইছে। শুধু আসামের বাঙালিই বিপন্ন নয়, পশ্চিমবঙ্গ সহ ভারতের সর্বত্র বাংলাভাষী হিন্দি-হিন্দু-হিন্দুস্থান নীতির ফ্যাসিবাদী সন্ত্রাসে সর্বস্বান্ত হতে বসেছেন। এত বড়ো দুঃসময় দেশভাগের আঁধির প্রহরেও দেখা যায়নি। আসামে এবং পশ্চিমবঙ্গে, ভারতের অন্যান্য প্রদেশেও, শত্রুপক্ষ উইপোকাদের নিশ্চিহ্ন করার প্রাথমিক উদ্যমে সফল হয়ে গেছে।
হিন্দুত্ববাদের এবং ইসলামি মৌলবাদের চোরাবালিতে ডুবে যাচ্ছে বাঙালি। সাধারণ নির্বাচনের ঢাকের বাদ্যি হয়ে পড়েছে মেকি দেশপ্রেম। শহরে ও মফস্বলে বাঙালি আর বাঙালি নেই; তারা সেই হিন্দুস্তানের কাছে মেরুদণ্ড সঁপে দিয়েছে যা তাদের জাতিসত্তাকে মধ্যযুগের ঘনঘোর অন্ধকারে ডুবিয়ে দিয়েছে। যা শুরু হয়েছিল আসামের বাঙালিদের নাগরিক অধিকার কেড়ে নেওয়ার প্রক্রিয়ায় অচিরেই তা জাতীয় মহাশ্মশানে এবং সমাধিভূমিতে পরিসমাপ্ত হবে। বোধ-বুদ্ধি বিসর্জন দিয়ে বাঙালি হিন্দি-আধিপত্যবাদের লেজুড়বৃত্তি করছে প্রকাশ্যে। তাই সীমাহীন দুর্নীতি, প্রশাসনিক নৈরাজ্য, সাম্প্রদায়িক ঘৃণা ও বিদ্বেষের মহামারী আর্থসামাজিক বিনাশ ও কৃত্রিম দেশপ্রেমের বানানো বন্যায় হারিয়ে যেতে বসেছে। আর এই সুযোগে বাঙালি-বিদ্বেষী অসমিয়া আধিপত্যবাদ (এবং বিভিন্ন প্রাদেশিক প্রভুত্ববাদ) ফ্যাসিবাদী রাষ্ট্রশক্তির প্রকাশ্য মদতে বাঙালি-মৃগয়ার অস্তিম পর্যায়ে ঝাঁপিয়ে পড়েছে।
রণক্লান্ত সমাজকর্মী ও মানবাধিকারকর্মীরা দুরূহতম এই সংকটে নিশ্চয় উটপাখির মতো বালিতে মুখ গুঁজে দেবেন না। যে-কোনোভাবে সীমাহীন রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসের মোকাবিলায় তাদের তৈরি থাকতেই হবে। এই বইকে যদি আমাদের সামূহিক জেগে থাকার দস্তাবেজ হিসেবে গ্রহণ করেন পড়ুয়ারা, তবেই এ প্রয়াস সার্থক হবে। আমরা যারা ক্ষমতা কেন্দ্রের লজ্জাহীন আক্রোশের প্রতি তর্জনি সংকেত করতে চেয়েছি, আত্মিক নৈরাজ্যের মুখোমুখি হয়েও জাতিসত্তার প্রশ্নে আপসরফা করতে রাজি নই। এই আমাদের সমবায়ী স্বর ও প্রত্যয় যা বইতে ব্যক্ত হয়েছে। বাঙালি আসামে থাকুক বা পশ্চিমবঙ্গে বা অন্য কোথাও আমরা বারবার এই ঘোষণাই করব : বাঙালির কোনো হিন্দু-মুসলমান-খ্রিস্টীয়-বৌদ্ধ হয় না; বাঙালি শুধুই বাঙালি।
আসামে বাঙালির অস্তিত্ব রক্ষার যুদ্ধ জারি থাকবে...
কাটা ঘুড়ির রঙ
By নলিনী বেরা
₹250
বাঙলা কথাসাহিত্যের অগ্রণী কথাকার নলিনী বেরা এক স্বতন্ত্র বিষয় ও লিখনশৈলীর অধিকারী। তার কলমে রূপ পায় লোকায়ত মানুষ, লোকজীবন, সর্বোপরি গ্রামীণ মানুষের ভাষা। কাটা ঘুড়ির রং’ তার ব্যতিক্রম নয়৷ ‘কাটা ঘুড়ির রঙ’, ‘ইরিনা এবং সুধন্যরা’ ও ‘নাকফুল’ – তিন-তিনটি উপন্যাসের অনবদ্য সংকলন ‘কাটা ঘুড়ির রঙ’। গ্রাম দিয়ে শহর ঘেরার মতো উপন্যাসে মাঝে মাঝে এসে পড়ে কলকাতাও। তখন কলকাতা আদতে আর কলকাতা থাকে না, হয়ে যায় লোকায়ত কলকাতা। কী শহর কী গ্রামের লোকায়ত বাস্তব জীবনে অন্তঃসলিলা ফল্গুধারার মতোই অবাস্তবিক চিন্তা ও ঘটনার মুহুর্মুহু যে প্রতিফলন ঘটে চলে, যা কী না শিল্পীর ছবিতে ফোটে বিমূর্ত হয়ে, কবির কলমে হয়ে ওঠে ‘সুররিয়ালিজম’-এর দ্যোতক, ঔপন্যাসিকের কলমে তাই যেন ‘ইলিউসন অ্যাণ্ড রিয়ালিটি'-র রূপক। ‘কাটা ঘুড়ির রঙ'-এ সেই রাঙা-ভাঙা-বিমূর্ততারই রঙ খেলা।
কাটা ঘুড়ির রঙ
By নলিনী বেরা
₹250
বাঙলা কথাসাহিত্যের অগ্রণী কথাকার নলিনী বেরা এক স্বতন্ত্র বিষয় ও লিখনশৈলীর অধিকারী। তার কলমে রূপ পায় লোকায়ত মানুষ, লোকজীবন, সর্বোপরি গ্রামীণ মানুষের ভাষা। কাটা ঘুড়ির রং’ তার ব্যতিক্রম নয়৷ ‘কাটা ঘুড়ির রঙ’, ‘ইরিনা এবং সুধন্যরা’ ও ‘নাকফুল’ – তিন-তিনটি উপন্যাসের অনবদ্য সংকলন ‘কাটা ঘুড়ির রঙ’। গ্রাম দিয়ে শহর ঘেরার মতো উপন্যাসে মাঝে মাঝে এসে পড়ে কলকাতাও। তখন কলকাতা আদতে আর কলকাতা থাকে না, হয়ে যায় লোকায়ত কলকাতা। কী শহর কী গ্রামের লোকায়ত বাস্তব জীবনে অন্তঃসলিলা ফল্গুধারার মতোই অবাস্তবিক চিন্তা ও ঘটনার মুহুর্মুহু যে প্রতিফলন ঘটে চলে, যা কী না শিল্পীর ছবিতে ফোটে বিমূর্ত হয়ে, কবির কলমে হয়ে ওঠে ‘সুররিয়ালিজম’-এর দ্যোতক, ঔপন্যাসিকের কলমে তাই যেন ‘ইলিউসন অ্যাণ্ড রিয়ালিটি'-র রূপক। ‘কাটা ঘুড়ির রঙ'-এ সেই রাঙা-ভাঙা-বিমূর্ততারই রঙ খেলা।
গন আন্দোলনের ধারা প্রবন্ধ সংকলন
₹300
কমরেড অজয় মুখোপাধ্যায় পশ্চিমবঙ্গ ও সর্বভারতীয় রাজ্য সরকারি কর্মচারী আন্দোলনের এক প্রবাদপ্রতিম ব্যক্তিত্ব। রাজ্য কো - অর্ডিনেশন কমিটির উন্মেষ ও বিকাশপর্বের নেতা, দীর্ঘকালের সাধারণ সম্পাদক, সারা ভারত রাজ্য সরকারি কর্মচারী ফেডারেশনের সাম্মানিক সভাপতি, ক্রমান্বয়ে চার দফায় লোকসভার নির্বাচিত প্রতিনিধি, প্রতিটি দায়িত্ব নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করেছেন। বাগ্মী ও সুলেখক, কমরেড অজয় মুখার্জী তাঁর সারা জীবনের আন্দোলন, সংগ্রাম এবং সংগঠন গড়ে তোলার মধ্য দিয়ে যে অমুল্য অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন বিভিন্ন প্রবন্ধের মধ্য দিয়ে তা ব্যক্ত করেছেন। সেই প্রবন্ধগুলি নিয়েই " গণআন্দোলনের ধারা প্রবন্ধ সংকলন " গ্রন্থটি তৈরী হয়েছে।
গ্রন্থটি সরকারি কর্মচারীদের নানামুখী আন্দোলনের একটি জীবন্ত দলিল। গ্রন্থটি সরকারি কর্মচারীদের শুধু নয়, সমস্ত বামপন্থী গণতান্ত্রিক আন্দোলনের কর্মীদের শিক্ষিত করবার কাজ করবে।
গন আন্দোলনের ধারা প্রবন্ধ সংকলন
₹300
কমরেড অজয় মুখোপাধ্যায় পশ্চিমবঙ্গ ও সর্বভারতীয় রাজ্য সরকারি কর্মচারী আন্দোলনের এক প্রবাদপ্রতিম ব্যক্তিত্ব। রাজ্য কো - অর্ডিনেশন কমিটির উন্মেষ ও বিকাশপর্বের নেতা, দীর্ঘকালের সাধারণ সম্পাদক, সারা ভারত রাজ্য সরকারি কর্মচারী ফেডারেশনের সাম্মানিক সভাপতি, ক্রমান্বয়ে চার দফায় লোকসভার নির্বাচিত প্রতিনিধি, প্রতিটি দায়িত্ব নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করেছেন। বাগ্মী ও সুলেখক, কমরেড অজয় মুখার্জী তাঁর সারা জীবনের আন্দোলন, সংগ্রাম এবং সংগঠন গড়ে তোলার মধ্য দিয়ে যে অমুল্য অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন বিভিন্ন প্রবন্ধের মধ্য দিয়ে তা ব্যক্ত করেছেন। সেই প্রবন্ধগুলি নিয়েই " গণআন্দোলনের ধারা প্রবন্ধ সংকলন " গ্রন্থটি তৈরী হয়েছে।
গ্রন্থটি সরকারি কর্মচারীদের নানামুখী আন্দোলনের একটি জীবন্ত দলিল। গ্রন্থটি সরকারি কর্মচারীদের শুধু নয়, সমস্ত বামপন্থী গণতান্ত্রিক আন্দোলনের কর্মীদের শিক্ষিত করবার কাজ করবে।
