Add to Wishlist
শ্রীচরণেষু
By তারক রেজ
Publisher: একুশ শতক
₹200
বইয়ের লেখা মূলত দর্শনমুখী। শুধু জীবন নয়, জীবনকে অতিক্রম করার অভিলাষ এই লেখায় উঠে এসেছে। ধ্বংসের ভয় নয়। সৃষ্টির জয় শেষ কথা। তাই মনুষত্বের জয়ের ভেরি নিনাদিত হয় তার “শ্রীচরণেষু” বইটিতে। এই গল্প গ্রন্থটি পাঠকের কাছে সমাদৃত হলে লেখিকার প্রচেষ্টা সার্থক হবে।
বইটি পড়ুন এবং “পাঠক পর্যালোচনা” অংশে গিয়ে রিভিউ দিন। আমরা আপনাদের রিভিউ আমাদের ব্লগ “একুশের আড্ডা” এবং আমাদের Facebook, Twitter, Linkedin এবং Instagram এ প্রকাশ করবো
Usually dispatched in 2 to 3 days
Safe & secure checkout
Tags:
sreechoroneshu, tarak rej, তারক রেজ, শ্রীচরণেষু
বইয়ের লেখা মূলত দর্শনমুখী। শুধু জীবন নয়, জীবনকে অতিক্রম করার অভিলাষ এই লেখায় উঠে এসেছে। ধ্বংসের ভয় নয়। সৃষ্টির জয় শেষ কথা। তাই মনুষত্বের জয়ের ভেরি নিনাদিত হয় “শ্রীচরণেষু” বইটিতে।
Additional information
| Weight | 0.4 kg |
|---|
একই ধরণের গ্রন্থ
গল্প তিরিশ
By উৎপল ঝা
₹350
গল্পকার উৎপল ঝা তাঁর সাবলীল গদ্যে এই গল্পগুলিতে উন্মোচন করেছেন উত্তরবঙ্গ থেকে কলকাতার গ্রামীণ ও নাগরিক পরিমণ্ডলে নিম্নবিত্ত মধ্যবিত্ত সাধারণ মানুষের জীবনসংগ্রামের নানা রূপ, নানা স্বর, নানা মাত্রা। চারদশকের গল্পযাত্রায় তিনি তুলে ধরেছেন কত বিচিত্র চরিত্র, সমাজ অর্থনীতির বাঁকবদল ও তার সঙ্গে চরিত্রের বড়ো দ্বন্দ সংঘাত, উপলব্ধি অনুভবের কথাচিত্র। সেই গল্পগুলির নির্বাচিত তিরিশটি গল্পের সংকলন এই গ্রন্থ ' গল্প তিরিশ '।
ওপার বাংলা থেকে ভিটেমাটি ছেড়ে অত্যাচারিত হয়ে আসা মানুষের স্মৃতিতে কোথাও বয়ে যায় সাম্প্রদায়িক চোরাস্রোত, অথচ সবার ক্ষেত্রে তা প্রযোজ্য নয়, সে ছবি ফুটে ওঠে ‘বন্ধ তোরঙ্গ’ গল্পে। বার্ড ফৢ এসে কীভাবে তছনছ করে দেয় কিছু মানুষের জীবন, বন্যার মধ্যে ত্রাণের কাজে সরকারি কর্মচারীর সুবিধা অসুবিধা ও তারই মধ্যে কারও কারও সরকারি কর্তব্য পেরিয়েও মানবিক সুখ, উত্তরবঙ্গের গ্রাম থেকে কলকাতা শহরে এসে উজ্জল কেরিয়ারের স্বপ্নে নিজেকে সঁপে দেওয়া মানুষটির যান্ত্রিক জীবনে মোহভঙ্গ ও শিকড়ে ফেরার আর্তি, ক্ষমতা রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত নানা অন্ধকার গলিপথ ও দালালরাজ, খাবারের ডেলিভারিম্যানের জীবনযাপনের আশা নিরাশা-যন্ত্রণা-আনন্দের টুকরো কথা - একের পর এক গল্পে এইসব জীবন কথা এঁকে চলেন গল্পকার। গল্পের নাম যথাক্রমে,'একা সনাতন', ‘এই চলাচল’, ‘নিথর পৃথিবী’, ‘এই প্ররোচনামূলক দুর্ঘটনা’, ‘মই’, ‘খালাসবাবু’, ' কাল প্রধানমন্ত্রী আসছে ', ' ফ্যাচাংয়ের রংরুটে একদিন ' ইত্যাদি।
গল্প তিরিশ
By উৎপল ঝা
₹350
গল্পকার উৎপল ঝা তাঁর সাবলীল গদ্যে এই গল্পগুলিতে উন্মোচন করেছেন উত্তরবঙ্গ থেকে কলকাতার গ্রামীণ ও নাগরিক পরিমণ্ডলে নিম্নবিত্ত মধ্যবিত্ত সাধারণ মানুষের জীবনসংগ্রামের নানা রূপ, নানা স্বর, নানা মাত্রা। চারদশকের গল্পযাত্রায় তিনি তুলে ধরেছেন কত বিচিত্র চরিত্র, সমাজ অর্থনীতির বাঁকবদল ও তার সঙ্গে চরিত্রের বড়ো দ্বন্দ সংঘাত, উপলব্ধি অনুভবের কথাচিত্র। সেই গল্পগুলির নির্বাচিত তিরিশটি গল্পের সংকলন এই গ্রন্থ ' গল্প তিরিশ '।
ওপার বাংলা থেকে ভিটেমাটি ছেড়ে অত্যাচারিত হয়ে আসা মানুষের স্মৃতিতে কোথাও বয়ে যায় সাম্প্রদায়িক চোরাস্রোত, অথচ সবার ক্ষেত্রে তা প্রযোজ্য নয়, সে ছবি ফুটে ওঠে ‘বন্ধ তোরঙ্গ’ গল্পে। বার্ড ফৢ এসে কীভাবে তছনছ করে দেয় কিছু মানুষের জীবন, বন্যার মধ্যে ত্রাণের কাজে সরকারি কর্মচারীর সুবিধা অসুবিধা ও তারই মধ্যে কারও কারও সরকারি কর্তব্য পেরিয়েও মানবিক সুখ, উত্তরবঙ্গের গ্রাম থেকে কলকাতা শহরে এসে উজ্জল কেরিয়ারের স্বপ্নে নিজেকে সঁপে দেওয়া মানুষটির যান্ত্রিক জীবনে মোহভঙ্গ ও শিকড়ে ফেরার আর্তি, ক্ষমতা রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত নানা অন্ধকার গলিপথ ও দালালরাজ, খাবারের ডেলিভারিম্যানের জীবনযাপনের আশা নিরাশা-যন্ত্রণা-আনন্দের টুকরো কথা - একের পর এক গল্পে এইসব জীবন কথা এঁকে চলেন গল্পকার। গল্পের নাম যথাক্রমে,'একা সনাতন', ‘এই চলাচল’, ‘নিথর পৃথিবী’, ‘এই প্ররোচনামূলক দুর্ঘটনা’, ‘মই’, ‘খালাসবাবু’, ' কাল প্রধানমন্ত্রী আসছে ', ' ফ্যাচাংয়ের রংরুটে একদিন ' ইত্যাদি।
দেড়শো গজে জীবন
₹200
১৯৭১-এর ভারত বাংলাদেশের মধ্যের বাউন্ডারি চুক্তি অনুসারে সিদ্ধান্ত হয় আন্তর্জাতিক সীমানা বা জিরো লাইন-এর দেড়শো গজের মধ্যে কেউ বসবাস করবে না ও সেখানে কোনো নির্মাণ কাজ হবে না। দুই দেশের স্বরাষ্ট্র সচিব পর্যায়ের আলোচনার ভিত্তিতে আশির দশকের শেষে ভারত দেড়শো গজ ছেড়ে বেড়া দেওয়ার কাজ শুরু করে। লক্ষ্য, অনুপ্রবেশ, চোরাচালান, পাচার বন্ধ করা। ২০১৩ থেকে ভারত সরকার বেড়াকে মজবুত, নিচ্ছিদ্র ও উঁচু বানানোর কাজে হাত দেয়। উদ্দেশ্য, যাতে কেউ কোনো ভাবে এপার ওপার না করতে পারে। দেড়শো গজের মানুষের অসহায়তা থেকে যায় অলক্ষ্যে। ভারাতের জিরো লাইন থেকে দেড়শো গজের বেড়া পার হয়ে আসার উপর কঠোর থেকে কঠোরতর নজরদারির একের পর এক নানা সরকারি পরিকল্পনা দেড়শো গজের মানুষদের দৈনন্দিন জীবন বিপদসঙ্কুল করে তোলা। সীমান্তরক্ষীদের অন্যায় অত্যাচার আর দাবীর পাশাপাশি থাকে নানা দুর্বৃত্তের ছোবল। ২০১৫য় ভারত বাংলাদেশ চুক্তির ফলে ছিটমহল হস্তান্তরের সিদ্ধান্ত নেয় দুই দেশ। কিন্তু দেড়শো গজের মানুষের জীবন থমকে থাকে। তারা যে অন্ধকারে ছিল সেই অন্ধকারেই থেকে যায়। কারণ তারা ছিটমহলের মানুষ নয়, উদ্বাস্তুও নয়, তারা দেড়শো গজের মানুষ। ঠিক যেমনটি দেখা যায় কোচবিহারে।
সসীমকুমার বাড়ৈ-এর " দেড়শো গজে জীবন " উপন্যাসটি এই প্রান্তিক মানুষদের জীবনভিত্তিক উপন্যাস। এ কাহিনি দেশ ভাগের ফলে সীমান্তে বসবাসকারী প্রান্তিক মানুষের ছিন্ন ভিন্ন হয়ে যাওয়া জীবনের কথা। এটা কোচবিহার অঞ্চলে কাটাতার আর আন্তর্জাতিক সীমানার মধ্যে আটকে পড়া 'নো ম্যানস ল্যান্ড'-এর মানুষদের কথা। তাদের দৈনন্দিন জীবনের নির্মম যন্ত্রণা ও প্রশাসনিক নির্লিপ্ততা ও অসহযোগিতার দৃশ্য উপন্যাসটির পাতায় পাতায় ফুটে ওঠে। দেড়শো গজের মানুষের অসহায়তার ছবি রূপান্তরিত হয় সংগঠিত প্রতিবাদ প্রতিরোধের হুংকারে।
দেড়শো গজে জীবন
₹200
১৯৭১-এর ভারত বাংলাদেশের মধ্যের বাউন্ডারি চুক্তি অনুসারে সিদ্ধান্ত হয় আন্তর্জাতিক সীমানা বা জিরো লাইন-এর দেড়শো গজের মধ্যে কেউ বসবাস করবে না ও সেখানে কোনো নির্মাণ কাজ হবে না। দুই দেশের স্বরাষ্ট্র সচিব পর্যায়ের আলোচনার ভিত্তিতে আশির দশকের শেষে ভারত দেড়শো গজ ছেড়ে বেড়া দেওয়ার কাজ শুরু করে। লক্ষ্য, অনুপ্রবেশ, চোরাচালান, পাচার বন্ধ করা। ২০১৩ থেকে ভারত সরকার বেড়াকে মজবুত, নিচ্ছিদ্র ও উঁচু বানানোর কাজে হাত দেয়। উদ্দেশ্য, যাতে কেউ কোনো ভাবে এপার ওপার না করতে পারে। দেড়শো গজের মানুষের অসহায়তা থেকে যায় অলক্ষ্যে। ভারাতের জিরো লাইন থেকে দেড়শো গজের বেড়া পার হয়ে আসার উপর কঠোর থেকে কঠোরতর নজরদারির একের পর এক নানা সরকারি পরিকল্পনা দেড়শো গজের মানুষদের দৈনন্দিন জীবন বিপদসঙ্কুল করে তোলা। সীমান্তরক্ষীদের অন্যায় অত্যাচার আর দাবীর পাশাপাশি থাকে নানা দুর্বৃত্তের ছোবল। ২০১৫য় ভারত বাংলাদেশ চুক্তির ফলে ছিটমহল হস্তান্তরের সিদ্ধান্ত নেয় দুই দেশ। কিন্তু দেড়শো গজের মানুষের জীবন থমকে থাকে। তারা যে অন্ধকারে ছিল সেই অন্ধকারেই থেকে যায়। কারণ তারা ছিটমহলের মানুষ নয়, উদ্বাস্তুও নয়, তারা দেড়শো গজের মানুষ। ঠিক যেমনটি দেখা যায় কোচবিহারে।
সসীমকুমার বাড়ৈ-এর " দেড়শো গজে জীবন " উপন্যাসটি এই প্রান্তিক মানুষদের জীবনভিত্তিক উপন্যাস। এ কাহিনি দেশ ভাগের ফলে সীমান্তে বসবাসকারী প্রান্তিক মানুষের ছিন্ন ভিন্ন হয়ে যাওয়া জীবনের কথা। এটা কোচবিহার অঞ্চলে কাটাতার আর আন্তর্জাতিক সীমানার মধ্যে আটকে পড়া 'নো ম্যানস ল্যান্ড'-এর মানুষদের কথা। তাদের দৈনন্দিন জীবনের নির্মম যন্ত্রণা ও প্রশাসনিক নির্লিপ্ততা ও অসহযোগিতার দৃশ্য উপন্যাসটির পাতায় পাতায় ফুটে ওঠে। দেড়শো গজের মানুষের অসহায়তার ছবি রূপান্তরিত হয় সংগঠিত প্রতিবাদ প্রতিরোধের হুংকারে।
প্রসঙ্গ শক্তি চট্টোপাধ্যায়
₹300
বাংলা কবিতায় নতুন একটি ধারা সূচিত হয়েছিল পঞ্চাশের দশকে। এইধারা আরও বেশি প্রাণবন্ত হয়েছিল পঞ্চাশের কবিতায় সমকালীনতা, জীবনের আখ্যানের চলাচল, অন্তর্নিহিত স্পন্দন, ব্যাপক বোহেমিয়ানিজম, এবং যথার্থ নাগরিকতা ইত্যাদির মিশেল নিয়ে বাংলা কবিতায় প্রাণময় এবং সৌন্দর্যপৄষ্ঠ কবি শক্তি চট্টোপাধ্যায় শক্তি কবিতাকে নিয়ে অনুভূতিময় এবং ইন্দ্রিয়বেদ্য আবহ এনেছিলেন বাংলা কবিতায়।
প্রেসিডেন্সী কলেজ এবং পরে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশুনো করলেও, ছিল অসমাপ্ত। বুদ্ধদেব বসুর কবিতা পত্রিকায় ১৯৫৬তে ‘যম' কবিতাটি প্রথম ছাপা হয়। আদর করে কবিতাকে পদ্য বলতেই পছন্দ করতেন। একটা সময় সত্তরের দশকে 'সাপ্তাহিক বাংলা কবিতা' নামের সাহিত্যপত্র সম্পাদনা করেছেন। আনন্দবাজার পত্রিকায় সাংবাদিকতা ছাড়াও কিছুদিন হিন্দমোটরস কারখানার কাজ করেছেন। সাংবাদিকতার জীবিকা থেকে অবসরের পরে শক্তি চট্টোপাধ্যায় সৃষ্টিশীল সাহিত্য নিয়ে আমন্ত্রিত অধ্যাপক হিসেবে বিশ্বভারতীতে ছিলেন। " প্রসঙ্গ শক্তি চট্টোপাধ্যায় " সংকলনে একত্রিত হওয়া অনেক লেখাই প্রমাণ করবে শক্তি থাকবেন চিরকাল থাকবেন মানুষের, পশুপাখির এবং প্রকৃতির ভালোবাসায়। একজন প্রকৃত কবির অধিষ্ঠান এই লেখাগুলির মধ্যেই প্রকাশিত হয়েছে। মানুষের সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠতা, সামাজিক সম্পর্ক যেন এক অবারিত আকাঙ্ক্ষার আবিষ্কারের মতো।
সংকলনে প্রকাশিত লেখাগুলি শক্তির প্রয়াণের পর বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে। সে সব লেখা থেকে নির্বাচন করেই এই সংকলন প্রকাশিত হল। 'বিভাব', কারুভাষ শ্লোক’, পি.ই.এন প্রকাশিত পুস্তিকা, সাংস্কৃতিক খবর, মাসিক কবি পত্র, সংবাদ প্রবাহ প্রভৃতি পত্রিকার সাহায্য নেওয়া হয়েছে। কবির জীবন চলাচল, তাঁর বর্ণময় জীবনআখ্যান এবং স্বভা সমগ্রতা ছুঁয়ে দেখারই চেষ্টা করা হয়েছে।
প্রসঙ্গ শক্তি চট্টোপাধ্যায়
₹300
বাংলা কবিতায় নতুন একটি ধারা সূচিত হয়েছিল পঞ্চাশের দশকে। এইধারা আরও বেশি প্রাণবন্ত হয়েছিল পঞ্চাশের কবিতায় সমকালীনতা, জীবনের আখ্যানের চলাচল, অন্তর্নিহিত স্পন্দন, ব্যাপক বোহেমিয়ানিজম, এবং যথার্থ নাগরিকতা ইত্যাদির মিশেল নিয়ে বাংলা কবিতায় প্রাণময় এবং সৌন্দর্যপৄষ্ঠ কবি শক্তি চট্টোপাধ্যায় শক্তি কবিতাকে নিয়ে অনুভূতিময় এবং ইন্দ্রিয়বেদ্য আবহ এনেছিলেন বাংলা কবিতায়।
প্রেসিডেন্সী কলেজ এবং পরে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশুনো করলেও, ছিল অসমাপ্ত। বুদ্ধদেব বসুর কবিতা পত্রিকায় ১৯৫৬তে ‘যম' কবিতাটি প্রথম ছাপা হয়। আদর করে কবিতাকে পদ্য বলতেই পছন্দ করতেন। একটা সময় সত্তরের দশকে 'সাপ্তাহিক বাংলা কবিতা' নামের সাহিত্যপত্র সম্পাদনা করেছেন। আনন্দবাজার পত্রিকায় সাংবাদিকতা ছাড়াও কিছুদিন হিন্দমোটরস কারখানার কাজ করেছেন। সাংবাদিকতার জীবিকা থেকে অবসরের পরে শক্তি চট্টোপাধ্যায় সৃষ্টিশীল সাহিত্য নিয়ে আমন্ত্রিত অধ্যাপক হিসেবে বিশ্বভারতীতে ছিলেন। " প্রসঙ্গ শক্তি চট্টোপাধ্যায় " সংকলনে একত্রিত হওয়া অনেক লেখাই প্রমাণ করবে শক্তি থাকবেন চিরকাল থাকবেন মানুষের, পশুপাখির এবং প্রকৃতির ভালোবাসায়। একজন প্রকৃত কবির অধিষ্ঠান এই লেখাগুলির মধ্যেই প্রকাশিত হয়েছে। মানুষের সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠতা, সামাজিক সম্পর্ক যেন এক অবারিত আকাঙ্ক্ষার আবিষ্কারের মতো।
সংকলনে প্রকাশিত লেখাগুলি শক্তির প্রয়াণের পর বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে। সে সব লেখা থেকে নির্বাচন করেই এই সংকলন প্রকাশিত হল। 'বিভাব', কারুভাষ শ্লোক’, পি.ই.এন প্রকাশিত পুস্তিকা, সাংস্কৃতিক খবর, মাসিক কবি পত্র, সংবাদ প্রবাহ প্রভৃতি পত্রিকার সাহায্য নেওয়া হয়েছে। কবির জীবন চলাচল, তাঁর বর্ণময় জীবনআখ্যান এবং স্বভা সমগ্রতা ছুঁয়ে দেখারই চেষ্টা করা হয়েছে।
শততম মানিক ও কথাসাহিত্যের নানা মহল
₹150
আসলে অনবচ্ছিন্ন ও অগতানুগতিক আখ্যানপাঠের আস্বাদন ও বিশ্লেষণ নিয়ে এই বই, বিচ্ছিন্ন প্রবন্ধের সংকলন নয়। বাইশটি আপাত-আলাদা রচনার সংকলন মনে হলেও আখ্যানের শিল্প ও জীবনের ব্যাখ্যানের সূত্রে বাংলা ভাষা সাহিত্য/সংস্কৃতির বিভিন্ন পর্বের আধুনিকতার সন্ধানে ' শততম মানিক ও কথাসাহিত্যের নানা মহল ' গ্রন্থটি নিবেদিত। বাংলা আখ্যানের ইতিহাসসহ মৌলিকতার স্বরূপ নির্ধারণের জন্যই বঙ্কিম রবীন্দ্র-শরৎ-নরেশচন্দ্র ও তারাশঙ্কর-বিভূতিভূষণ সরােজকুমার-মানিক-শিবরাম সতীনাথ-মুজতবা-অমিয়ভূষণ তথা স্বাধীনতা-উত্তর আধুনিক আখ্যানের গভীরেও সমালােচককে ডুব দিতে হয়েছে। বক্তব্য ও ভাষা, কোথাও সমালােচক নিজেকে অনুকরণ করেন না, নতুন নতুন নির্মাণ, সৃষ্টিতে তাঁর অনিবারণীয় অনুরাগ।
শততম মানিক ও কথাসাহিত্যের নানা মহল
₹150
আসলে অনবচ্ছিন্ন ও অগতানুগতিক আখ্যানপাঠের আস্বাদন ও বিশ্লেষণ নিয়ে এই বই, বিচ্ছিন্ন প্রবন্ধের সংকলন নয়। বাইশটি আপাত-আলাদা রচনার সংকলন মনে হলেও আখ্যানের শিল্প ও জীবনের ব্যাখ্যানের সূত্রে বাংলা ভাষা সাহিত্য/সংস্কৃতির বিভিন্ন পর্বের আধুনিকতার সন্ধানে ' শততম মানিক ও কথাসাহিত্যের নানা মহল ' গ্রন্থটি নিবেদিত। বাংলা আখ্যানের ইতিহাসসহ মৌলিকতার স্বরূপ নির্ধারণের জন্যই বঙ্কিম রবীন্দ্র-শরৎ-নরেশচন্দ্র ও তারাশঙ্কর-বিভূতিভূষণ সরােজকুমার-মানিক-শিবরাম সতীনাথ-মুজতবা-অমিয়ভূষণ তথা স্বাধীনতা-উত্তর আধুনিক আখ্যানের গভীরেও সমালােচককে ডুব দিতে হয়েছে। বক্তব্য ও ভাষা, কোথাও সমালােচক নিজেকে অনুকরণ করেন না, নতুন নতুন নির্মাণ, সৃষ্টিতে তাঁর অনিবারণীয় অনুরাগ।
রাত্রি ও সুন্দর
₹200
বাস্তব বড় রুক্ষ। পরীক্ষার অনন্ত সোপান। পৃথিবীর বুকের উপর সাজানো পাথরের আস্তরণ। সঞ্জল রঞ্জন আচার্য বিশ্বাস করেন পাথরেও জাগে সংগীত। "রাত্রি ও সুন্দর" বইটি তাঁর সৃজনশীলতার এক উদাহরণ।
রাত্রি ও সুন্দর
₹200
বাস্তব বড় রুক্ষ। পরীক্ষার অনন্ত সোপান। পৃথিবীর বুকের উপর সাজানো পাথরের আস্তরণ। সঞ্জল রঞ্জন আচার্য বিশ্বাস করেন পাথরেও জাগে সংগীত। "রাত্রি ও সুন্দর" বইটি তাঁর সৃজনশীলতার এক উদাহরণ।
শিক্ষক আন্দোলনের ধারা
₹100
নিখিল বঙ্গ শিক্ষক সমিতি ভারতের অন্যতম বৃহৎ ও প্রাচীনতম শিক্ষক আন্দোলনের সংগঠন, যা প্রগতিশীল চিন্তা ও বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্রে আস্থা জ্ঞাপন করে। শিক্ষাক আন্দোলনের পাশাপাশি শ্রমিক, কর্মচারি, সাংস্কৃতিক আন্দোলন গড়ে তােলার ক্ষেত্রেও এই সংগঠন উল্লেখযােগ্য ভূমিকা পালন করে চলেছে। মাধ্যমিক শিক্ষকদের অর্থনৈতিক সামাজিক উন্নয়নে সমিতি প্রতিষ্ঠা লগ্ন থেকে অবিরত সংগ্রাম আন্দোলন করে চলেছে। ' শিক্ষক আন্দোলনের ধারা ' পুস্তকটিতে নিখিল বঙ্গ শিক্ষক সমিতির শিক্ষা তথা শিক্ষক আন্দোলনের ধারাবাহিকতা তুলে ধরার চেষ্টা করা হয়েছে। আন্দোলনের ইতিহাসটির গুরুত্ব কোনভাবেই অস্বীকার করা যায় না। এই প্রয়ােজনের কথা মাথায় রেখেই এই পুস্তকটি প্রকাশের আয়ােজন যা সমাজের প্রগতিশীল মানুষ ও শিক্ষক আন্দোলনের সাথে যুক্ত ব্যক্তিদের শিক্ষা আন্দোলন জানার লিপ্সা তৃপ্ত করবে। এবং প্রগতিশীল ভাবনা চিন্তার সহায়ক হবে।
শিক্ষক আন্দোলনের ধারা
₹100
নিখিল বঙ্গ শিক্ষক সমিতি ভারতের অন্যতম বৃহৎ ও প্রাচীনতম শিক্ষক আন্দোলনের সংগঠন, যা প্রগতিশীল চিন্তা ও বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্রে আস্থা জ্ঞাপন করে। শিক্ষাক আন্দোলনের পাশাপাশি শ্রমিক, কর্মচারি, সাংস্কৃতিক আন্দোলন গড়ে তােলার ক্ষেত্রেও এই সংগঠন উল্লেখযােগ্য ভূমিকা পালন করে চলেছে। মাধ্যমিক শিক্ষকদের অর্থনৈতিক সামাজিক উন্নয়নে সমিতি প্রতিষ্ঠা লগ্ন থেকে অবিরত সংগ্রাম আন্দোলন করে চলেছে। ' শিক্ষক আন্দোলনের ধারা ' পুস্তকটিতে নিখিল বঙ্গ শিক্ষক সমিতির শিক্ষা তথা শিক্ষক আন্দোলনের ধারাবাহিকতা তুলে ধরার চেষ্টা করা হয়েছে। আন্দোলনের ইতিহাসটির গুরুত্ব কোনভাবেই অস্বীকার করা যায় না। এই প্রয়ােজনের কথা মাথায় রেখেই এই পুস্তকটি প্রকাশের আয়ােজন যা সমাজের প্রগতিশীল মানুষ ও শিক্ষক আন্দোলনের সাথে যুক্ত ব্যক্তিদের শিক্ষা আন্দোলন জানার লিপ্সা তৃপ্ত করবে। এবং প্রগতিশীল ভাবনা চিন্তার সহায়ক হবে।
