Add to Wishlist
সুন্দরবনের সংস্কৃতি ও প্রত্নভাবনা
Publisher: একুশ শতক
₹250
কৃষ্ণকালী মন্ডল লিখিত “সুন্দরবনের সংস্কৃতি ও প্রত্নভাবনা” গ্রন্থটির প্রতিটি অধ্যায়ের বিষয় খুবই গুরুত্বপূর্ণ, তথ্য ও গবেষণা সমৃদ্ধ। বইটির তাত্ত্বিক আলোচনা, বিন্যাস ও লেখশৈলী পাঠককুলের দৃষ্টি আকর্ষণ করবে। বহু তথ্যসূত্র সংযোজনের ফলে বইটির গুরুত্ব অনেক বেড়েছে এবং নতুন গবেষকদের সাহায্য করবে।
বইটি পড়ুন এবং “পাঠক পর্যালোচনা” অংশে গিয়ে রিভিউ দিন। আমরা আপনাদের রিভিউ আমাদের ব্লগ “একুশের আড্ডা” এবং আমাদের Facebook, Twitter, Linkedin এবং Instagram এ প্রকাশ করবো।
Usually dispatched in 2 to 3 days
Safe & secure checkout
কৃষ্ণকালী মন্ডল লিখিত “সুন্দরবনের সংস্কৃতি ও প্রত্নভাবনা” গ্রন্থটির প্রতিটি অধ্যায়ের বিষয় খুবই গুরুত্বপূর্ণ, তথ্য ও গবেষণা সমৃদ্ধ। বইটির তাত্ত্বিক আলোচনা, বিন্যাস ও লেখশৈলী পাঠককুলের দৃষ্টি আকর্ষণ করবে। বহু তথ্যসূত্র সংযোজনের ফলে বইটির গুরুত্ব অনেক বেড়েছে এবং নতুন গবেষকদের সাহায্য করবে।
Additional information
| Weight | 0.4 kg |
|---|
একই ধরণের গ্রন্থ
বিজ্ঞানীর বিবেক
₹300
কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক ও বিজ্ঞান গবেষক ড: গৌতম গঙ্গোপাধ্যায় জনচেতনায় বিজ্ঞান প্রসার আন্দোলনের অন্যতম সংগঠক। বিজ্ঞানীর বিবেক তাঁর সাম্প্রতিক প্রবন্ধ সংকলন। বিজ্ঞান গবেষণার দিক নির্ধারণে বিজ্ঞানীদের ভূমিকা, সমাজ ও রাষ্ট্র বিজ্ঞান গবেষণায় কতটা প্রভাব বিস্তার করতে পারে, বিজ্ঞান ভাবনায় বিকৃতি ঘটছে কিভাবে? মৌলবাদ ও সংঘ পরিবারের সংগঠকদের অবৈজ্ঞানিক চিন্তাভাবনার সামাজিক প্রতিক্রিয়া, সাহিত্য ও বিজ্ঞান আন্ত সম্পর্ক, কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান ইতিহাস ইত্যাদি প্রসঙ্গে বিজ্ঞান জগতের ভিতর থেকে বিজ্ঞান ও সমাজকে দেখার চেষ্টা করেছেন লেখক। বৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণী দৃষ্টির সঙ্গে সাহিত্য রসের সংমিশ্রণ ঘটিয়েছে তার কলম, যে কোনো মননশীল পাঠক পরে সমৃদ্ধ হবেন।
বিজ্ঞানীর বিবেক
₹300
কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক ও বিজ্ঞান গবেষক ড: গৌতম গঙ্গোপাধ্যায় জনচেতনায় বিজ্ঞান প্রসার আন্দোলনের অন্যতম সংগঠক। বিজ্ঞানীর বিবেক তাঁর সাম্প্রতিক প্রবন্ধ সংকলন। বিজ্ঞান গবেষণার দিক নির্ধারণে বিজ্ঞানীদের ভূমিকা, সমাজ ও রাষ্ট্র বিজ্ঞান গবেষণায় কতটা প্রভাব বিস্তার করতে পারে, বিজ্ঞান ভাবনায় বিকৃতি ঘটছে কিভাবে? মৌলবাদ ও সংঘ পরিবারের সংগঠকদের অবৈজ্ঞানিক চিন্তাভাবনার সামাজিক প্রতিক্রিয়া, সাহিত্য ও বিজ্ঞান আন্ত সম্পর্ক, কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান ইতিহাস ইত্যাদি প্রসঙ্গে বিজ্ঞান জগতের ভিতর থেকে বিজ্ঞান ও সমাজকে দেখার চেষ্টা করেছেন লেখক। বৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণী দৃষ্টির সঙ্গে সাহিত্য রসের সংমিশ্রণ ঘটিয়েছে তার কলম, যে কোনো মননশীল পাঠক পরে সমৃদ্ধ হবেন।
রবীন্দ্রনাথ ও পাশ্চাত্য
₹120
রবীন্দ্রনাথ এই গ্রন্থের উপলক্ষ্য নন, তিনি লক্ষ্য। উপলক্ষ্য হল শ্রীযুক্ত তারকনাথ সেন মহাশয়ের একটি সুদীর্ঘ প্রবন্ধ। ' রবীন্দ্রনাথ ও পাশ্চাত্য ' গ্রন্থে রবীন্দ্র-সাহিত্যের বিষয়বস্তুর বিশ্লেষণ আছে কিন্তু কোন স্তুতি-নিন্দা নেই, কোন বিশিষ্ট ভাববস্তুর মূল্যবিচার বা কাব্যবিচার নেই।
রবীন্দ্রনাথ ও পাশ্চাত্য
₹120
রবীন্দ্রনাথ এই গ্রন্থের উপলক্ষ্য নন, তিনি লক্ষ্য। উপলক্ষ্য হল শ্রীযুক্ত তারকনাথ সেন মহাশয়ের একটি সুদীর্ঘ প্রবন্ধ। ' রবীন্দ্রনাথ ও পাশ্চাত্য ' গ্রন্থে রবীন্দ্র-সাহিত্যের বিষয়বস্তুর বিশ্লেষণ আছে কিন্তু কোন স্তুতি-নিন্দা নেই, কোন বিশিষ্ট ভাববস্তুর মূল্যবিচার বা কাব্যবিচার নেই।
সৃজন চিন্তনে রবীন্দ্রনাথ
₹150
' সৃজন চিন্তনে রবীন্দ্রনাথ ' গ্রন্থে রবীন্দ্রনাথের সৃজনশীলতার অনেকগুলি প্রবন্ধ এবং তার বিশ্লেষণ করা হয়েছে।
রবীন্দ্রনাথ ব্রাহ্ম ধর্মের মানুষ হলেও নিজের ধর্ম সম্পর্কে বলেছেন : আমার ধর্ম মানবধর্ম। মানুষই তাঁর কাছে শেষ সত্য। মুসলমান প্রজার জমিদার হিসেবে রবীন্দ্রনাথ কিভাবে মুসলমান সমাজকে দেখেছেন, শান্তিনিকেতনের সেবাত্রতে নিয়ােজিত রবীন্দ্রনাথ মুসলমানসমাজকে কিভাবে দেখেছেন, মুসলিম লিশা প্রতিষ্ঠা, মুসলমান ছাত্রদের মন্তব, মাদ্রাসায় বাংলা শিক্ষা, কামাল আতাতুর্কের আধুনিক চিন্তা, আকবর শাহের উদারতা প্রমুখ মুসলমান সমাজের এই বিষয়গুলিকে কোন দৃষ্টিভঙ্গিতে দেখেছেন, তার বিশ্লেষণী-সমীক্ষা করা হয়েছে রবীন্দ্রনাথ ও মুসলমান সমাজ প্রবন্ধে।
আমাদের দেহ সাড়ে তিন হাতের মধ্যে বদ্ধ, কিন্তু তাই বলিয়া ঠিক সাডে তিন হাত পরিমাণ গৃহ নির্মাণ করিলে চলে না। স্বাধীন চলাফেরার জন্য অনেকখানি স্থান রাখার প্রয়ােজন হয়, না হলে আমাদের স্বাস্থ্য ও আনন্দের ব্যাঘাত হয়। আমাদের শিক্ষা সম্পর্কে এই কথাটি সত্য। শিক্ষার দ্দেশ্য হওয়া উচিত সুপ্ত চেতনার বিকাশ। শিক্ষার মধ্যে থাকবে মনােজগতের খােরাক, স্বাধীন কল্পনার বিকাশ। কিন্তু রবীন্দ্রনাথ তাঁর শৈশবে এই প্রকৃত শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। যান্ত্রিক শিক্ষার আঘাতে তার শৈশব কিভাবে ক্ষত-বিক্ষত হয়েছে, সেই অনুভূতি পরবর্তীকালে কিভাবে ফুটে উঠেছে, তার অনুসন্ধান করা হয়েছে রবীন্দ্রদৃষ্টিতে শিক্ষার যান্ত্রিকতা' নামক প্রবন্ধে।
পরিভাষা ও নতুন শব্দসৃষ্টিতে রবীন্দ্রনাথ' প্রবন্ধে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ভাষাতাত্ত্বিক গুরুত্বের দিকটি অন্বেষণ করা হয়েছে। তিনি পারিভাষিক শব্দ, নতুন শব্দসৃষ্টির মাধ্যমে কিভাবে বাংলা ভাষাকে উৎকৃষ্টতা দান করেন, তা নিয়ে আলােচনা করা হয়েছে। তাঁর প্রবন্ধ, কবিতা, নাটক, উপন্যাস, ছােটগল্প সমস্ত সাহিত্যধারা অনুসন্ধান করে দেখানাে হয়েছে কোথায় কোথায় নতুন শব্দ ব্যবহার করেছেন, বা একটি শব্দকে ভিন্নতর অর্থে গ্রহণ করেছেন।
সৃজন চিন্তনে রবীন্দ্রনাথ
₹150
' সৃজন চিন্তনে রবীন্দ্রনাথ ' গ্রন্থে রবীন্দ্রনাথের সৃজনশীলতার অনেকগুলি প্রবন্ধ এবং তার বিশ্লেষণ করা হয়েছে।
রবীন্দ্রনাথ ব্রাহ্ম ধর্মের মানুষ হলেও নিজের ধর্ম সম্পর্কে বলেছেন : আমার ধর্ম মানবধর্ম। মানুষই তাঁর কাছে শেষ সত্য। মুসলমান প্রজার জমিদার হিসেবে রবীন্দ্রনাথ কিভাবে মুসলমান সমাজকে দেখেছেন, শান্তিনিকেতনের সেবাত্রতে নিয়ােজিত রবীন্দ্রনাথ মুসলমানসমাজকে কিভাবে দেখেছেন, মুসলিম লিশা প্রতিষ্ঠা, মুসলমান ছাত্রদের মন্তব, মাদ্রাসায় বাংলা শিক্ষা, কামাল আতাতুর্কের আধুনিক চিন্তা, আকবর শাহের উদারতা প্রমুখ মুসলমান সমাজের এই বিষয়গুলিকে কোন দৃষ্টিভঙ্গিতে দেখেছেন, তার বিশ্লেষণী-সমীক্ষা করা হয়েছে রবীন্দ্রনাথ ও মুসলমান সমাজ প্রবন্ধে।
আমাদের দেহ সাড়ে তিন হাতের মধ্যে বদ্ধ, কিন্তু তাই বলিয়া ঠিক সাডে তিন হাত পরিমাণ গৃহ নির্মাণ করিলে চলে না। স্বাধীন চলাফেরার জন্য অনেকখানি স্থান রাখার প্রয়ােজন হয়, না হলে আমাদের স্বাস্থ্য ও আনন্দের ব্যাঘাত হয়। আমাদের শিক্ষা সম্পর্কে এই কথাটি সত্য। শিক্ষার দ্দেশ্য হওয়া উচিত সুপ্ত চেতনার বিকাশ। শিক্ষার মধ্যে থাকবে মনােজগতের খােরাক, স্বাধীন কল্পনার বিকাশ। কিন্তু রবীন্দ্রনাথ তাঁর শৈশবে এই প্রকৃত শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। যান্ত্রিক শিক্ষার আঘাতে তার শৈশব কিভাবে ক্ষত-বিক্ষত হয়েছে, সেই অনুভূতি পরবর্তীকালে কিভাবে ফুটে উঠেছে, তার অনুসন্ধান করা হয়েছে রবীন্দ্রদৃষ্টিতে শিক্ষার যান্ত্রিকতা' নামক প্রবন্ধে।
পরিভাষা ও নতুন শব্দসৃষ্টিতে রবীন্দ্রনাথ' প্রবন্ধে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ভাষাতাত্ত্বিক গুরুত্বের দিকটি অন্বেষণ করা হয়েছে। তিনি পারিভাষিক শব্দ, নতুন শব্দসৃষ্টির মাধ্যমে কিভাবে বাংলা ভাষাকে উৎকৃষ্টতা দান করেন, তা নিয়ে আলােচনা করা হয়েছে। তাঁর প্রবন্ধ, কবিতা, নাটক, উপন্যাস, ছােটগল্প সমস্ত সাহিত্যধারা অনুসন্ধান করে দেখানাে হয়েছে কোথায় কোথায় নতুন শব্দ ব্যবহার করেছেন, বা একটি শব্দকে ভিন্নতর অর্থে গ্রহণ করেছেন।
অরণ্য হে
₹150
বাংলা সাহিত্যে স্নাতকোত্তর। বিকেলের ও বিদেশের প্রতিদিনে সাংবাদিকতা করেছেন। ফোটোগ্রাফি জানেন অল্পবিস্তর। ভ্রমণে অপরিসীম আগ্রহ। জঙ্গলে জীবনের কাব্য খুঁজে বেড়ান। অরণ্য আর পশুপক্ষীপ্রেম তার লেখার প্রেরণা।
আনন্দমেলা, সানন্দা, ভ্রমণ, সাপ্তাহিক বর্তমান ও একুশ শতকে লিখে থাকেন। এই গ্রন্থে ভারতের পাঁচটি নামকরা জঙ্গল ঋতুর রকমফেরের ঘনিষ্ঠ অভিজ্ঞতা নিয়ে বিবৃত। কখনও ইতিহাস, কখনও আজকের মানুষ তার লেখনীতে প্রেম, ভালােবাসা, ভয়, নিয়মনীতির সামাজিকতায় প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠেছে। অরণ্য হয়ে উঠেছে মূর্ত।
অরণ্য হে
₹150
বাংলা সাহিত্যে স্নাতকোত্তর। বিকেলের ও বিদেশের প্রতিদিনে সাংবাদিকতা করেছেন। ফোটোগ্রাফি জানেন অল্পবিস্তর। ভ্রমণে অপরিসীম আগ্রহ। জঙ্গলে জীবনের কাব্য খুঁজে বেড়ান। অরণ্য আর পশুপক্ষীপ্রেম তার লেখার প্রেরণা।
আনন্দমেলা, সানন্দা, ভ্রমণ, সাপ্তাহিক বর্তমান ও একুশ শতকে লিখে থাকেন। এই গ্রন্থে ভারতের পাঁচটি নামকরা জঙ্গল ঋতুর রকমফেরের ঘনিষ্ঠ অভিজ্ঞতা নিয়ে বিবৃত। কখনও ইতিহাস, কখনও আজকের মানুষ তার লেখনীতে প্রেম, ভালােবাসা, ভয়, নিয়মনীতির সামাজিকতায় প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠেছে। অরণ্য হয়ে উঠেছে মূর্ত।
বাংলার শতাব্দী প্রাচীন মন্দির পরিক্রমা
₹400
বাংলার একটি গুরুত্বপূর্ণ ঐশ্বর্য বাংলার মন্দির। এই মন্দিরগুলি বাংলার সাংস্কৃতিক ইতিহাস চর্চার জন্য জরুরি। শুধু বিষ্ণুপুর বা কালনায় নয়, সারা বাংলা জুড়েই অসংখ্য অসাধারণ মন্দির নির্মিত হয়েছে। চালা, রত্ন, দালান, মঞ্চ, মঠ, দেউল ইত্যাদি শিল্পরীতি এবং টেরাকোটা অলংকরণের নানা বৈচিত্র্যে ও প্রাচুর্যে সেগুলি সমৃদ্ধ। একদিকে পৌরাণিক দেবদেবী ও আখ্যান, অন্যদিকে অভিজাত ও সাধারণ মানুষের সমাজজীবনের প্রতিফলন দেখা যায়। মন্দিরগুলির অলংকরণ এর প্রধান উপাদান উঠে এসেছে বিভিন্ন সাহিত্যিক বা সামাজিক উৎস থেকে। মন্দির এবং মন্দিরের অলংকরণ এর উৎসসন্ধান এই গ্রন্থের প্রধান লক্ষ্য। সঙ্গে রয়েছে প্রাসঙ্গিক দুশোটি ছবি, যা বিষয়বস্তুকে বুঝতে সহায়তা করবে। " বাংলার শতাব্দী প্রাচীন মন্দির পরিক্রমা " গ্রন্থটি বাংলা সংস্কৃতিচর্চার ক্ষেত্রে একটি উল্লেখযোগ্য সংযোজন।
বাংলার শতাব্দী প্রাচীন মন্দির পরিক্রমা
₹400
বাংলার একটি গুরুত্বপূর্ণ ঐশ্বর্য বাংলার মন্দির। এই মন্দিরগুলি বাংলার সাংস্কৃতিক ইতিহাস চর্চার জন্য জরুরি। শুধু বিষ্ণুপুর বা কালনায় নয়, সারা বাংলা জুড়েই অসংখ্য অসাধারণ মন্দির নির্মিত হয়েছে। চালা, রত্ন, দালান, মঞ্চ, মঠ, দেউল ইত্যাদি শিল্পরীতি এবং টেরাকোটা অলংকরণের নানা বৈচিত্র্যে ও প্রাচুর্যে সেগুলি সমৃদ্ধ। একদিকে পৌরাণিক দেবদেবী ও আখ্যান, অন্যদিকে অভিজাত ও সাধারণ মানুষের সমাজজীবনের প্রতিফলন দেখা যায়। মন্দিরগুলির অলংকরণ এর প্রধান উপাদান উঠে এসেছে বিভিন্ন সাহিত্যিক বা সামাজিক উৎস থেকে। মন্দির এবং মন্দিরের অলংকরণ এর উৎসসন্ধান এই গ্রন্থের প্রধান লক্ষ্য। সঙ্গে রয়েছে প্রাসঙ্গিক দুশোটি ছবি, যা বিষয়বস্তুকে বুঝতে সহায়তা করবে। " বাংলার শতাব্দী প্রাচীন মন্দির পরিক্রমা " গ্রন্থটি বাংলা সংস্কৃতিচর্চার ক্ষেত্রে একটি উল্লেখযোগ্য সংযোজন।
