Add to Wishlist
স্তব্ধতার গান শোনো
By শঙ্কর বসু
Publisher: একুশ শতক
₹200
পুরস্কারপ্রাপ্ত লেখক শঙ্কর বসুর অনেক গুলি কাব্যগ্রন্থের মধ্যে অন্যতম হলো “স্তব্ধতার গান শোনো”। তাঁর সাহিত্য পরিধির পরিচয় এই গ্রন্থে পাওয়া যায়।
বইটি পড়ুন এবং “পাঠক পর্যালোচনা” অংশে গিয়ে রিভিউ দিন। আমরা আপনাদের রিভিউ আমাদের ব্লগ “একুশের আড্ডা” এবং আমাদের Facebook, Twitter, Linkedin এবং Instagram এ প্রকাশ করবো।
In stock
Usually dispatched in 2 to 3 days
Safe & secure checkout
SKU:
ES - stobdhotar gan shono 001
পুরস্কারপ্রাপ্ত লেখক শঙ্কর বসুর অনেক গুলি কাব্যগ্রন্থের মধ্যে অন্যতম হলো “স্তব্ধতার গান শোনো”। তাঁর সাহিত্য পরিধির পরিচয় এই গ্রন্থে পাওয়া যায়।
Additional information
| Weight | 0.4 kg |
|---|
একই ধরণের গ্রন্থ
প্রবন্ধ সংগ্রহ
By অনন্ত দাশ
₹600
কবিতাবিষয়ক প্রবন্ধের পাঠকদের জন্য "প্রবন্ধ সংগ্রহ - অনন্ত দাশ" গ্রন্থ। বাংলা কবিতা (ষাট ও আশির দশক), কবির দায়বদ্ধতা এবং রবীন্দ্রনাথ, নজরুল, জীবনানন্দ, সুধীন্দ্রনাথ, জসীমউদ্দীন, অমিয় চক্রবর্তী, মণীন্দ্র রায়, শক্তি চট্টোপাধ্যায় প্রভৃতির কবিতার নানা বিভঙ্গ নিয়ে যেমন চমৎকার প্রবন্ধ রয়েছে , আবার প্রেমেন্দ্র মিত্র, বিষ্ণু দে, চল্লিশের দুই কবি (চিত্ত ঘোষ, মৃগাঙ্গ রায়), সুভাষ মুখোপাধ্যায়, রাম বসু, পবিত্র মুখোপাধ্যায়ের - ইত্যাদি কবি ও কবিতাবিষয়ের সঙ্গে বাংলা কবিতায় সনেট চর্চা নিয়েও প্রবন্ধ আছে।
আবার ভারতচন্দ্র থেকে অনুবাদক সুভাষ মুখোপাধ্যায়, সমাজসচেতনতা, পবিত্র মুখোপাধ্যায়ের কবিজীবন ইত্যাদি বহু প্রসঙ্গ আছে যা পাঠকদের এই কবিদের দিকে নতুন করে তাকাতে উদ্বুদ্ধ করবে।
প্রবন্ধ সংগ্রহ
By অনন্ত দাশ
₹600
কবিতাবিষয়ক প্রবন্ধের পাঠকদের জন্য "প্রবন্ধ সংগ্রহ - অনন্ত দাশ" গ্রন্থ। বাংলা কবিতা (ষাট ও আশির দশক), কবির দায়বদ্ধতা এবং রবীন্দ্রনাথ, নজরুল, জীবনানন্দ, সুধীন্দ্রনাথ, জসীমউদ্দীন, অমিয় চক্রবর্তী, মণীন্দ্র রায়, শক্তি চট্টোপাধ্যায় প্রভৃতির কবিতার নানা বিভঙ্গ নিয়ে যেমন চমৎকার প্রবন্ধ রয়েছে , আবার প্রেমেন্দ্র মিত্র, বিষ্ণু দে, চল্লিশের দুই কবি (চিত্ত ঘোষ, মৃগাঙ্গ রায়), সুভাষ মুখোপাধ্যায়, রাম বসু, পবিত্র মুখোপাধ্যায়ের - ইত্যাদি কবি ও কবিতাবিষয়ের সঙ্গে বাংলা কবিতায় সনেট চর্চা নিয়েও প্রবন্ধ আছে।
আবার ভারতচন্দ্র থেকে অনুবাদক সুভাষ মুখোপাধ্যায়, সমাজসচেতনতা, পবিত্র মুখোপাধ্যায়ের কবিজীবন ইত্যাদি বহু প্রসঙ্গ আছে যা পাঠকদের এই কবিদের দিকে নতুন করে তাকাতে উদ্বুদ্ধ করবে।
আমাদের রবীন্দ্রনাথ
₹500
মানবজীবনের প্রতিটি অনুপুঙ্খে, সম্পদে-বিপদে, আনন্দে-বেদনায়, উৎসবে-ব্যসনে-দুর্ভিক্ষে- রাষ্ট্রবিপ্লবে, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক মারি ও মড়কে, মননের দহন ও শৈত্যে তিনি আজও চিরসখা, প্রতিটি বিগত ও অনাগত ভােরের বৈতালিক। তিনি যত গদ্য লিখেছেন,সম্ভবত তাঁকে নিয়ে এর চেয়ে ঢের বেশি গদ্য লেখা হয়েছে। তবু তাঁর প্রতিটি শব্দ যেন একেকটি অনাবিষ্কৃত দূর নক্ষত্র—সেগুলাে থেকে ক্রমে আলো আসিতেছে। এই অনিঃশেষ আলােকরাশিকে সময়ােপযােগী বােধ ও মননে বিম্বিত ও প্রতিবিম্বিত করার বিশ্বস্ত দৰ্পণ ' আমাদের রবীন্দ্রনাথ ' গ্রন্থটি। রবীন্দ্রনাথকে নিয়ে চর্বিত চর্বণ নয়, বরং ষড়যন্ত্রময় সাংস্কৃতিক রাজনীতি ও দানবীয় না-সংস্কৃতি আক্রান্ত মানুষের প্রিয় পৃথিবীকে সব দিক দিয়ে রক্ষা করার কবচকুণ্ডল এই পুস্তক-প্রয়াস।
আমাদের রবীন্দ্রনাথ
₹500
মানবজীবনের প্রতিটি অনুপুঙ্খে, সম্পদে-বিপদে, আনন্দে-বেদনায়, উৎসবে-ব্যসনে-দুর্ভিক্ষে- রাষ্ট্রবিপ্লবে, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক মারি ও মড়কে, মননের দহন ও শৈত্যে তিনি আজও চিরসখা, প্রতিটি বিগত ও অনাগত ভােরের বৈতালিক। তিনি যত গদ্য লিখেছেন,সম্ভবত তাঁকে নিয়ে এর চেয়ে ঢের বেশি গদ্য লেখা হয়েছে। তবু তাঁর প্রতিটি শব্দ যেন একেকটি অনাবিষ্কৃত দূর নক্ষত্র—সেগুলাে থেকে ক্রমে আলো আসিতেছে। এই অনিঃশেষ আলােকরাশিকে সময়ােপযােগী বােধ ও মননে বিম্বিত ও প্রতিবিম্বিত করার বিশ্বস্ত দৰ্পণ ' আমাদের রবীন্দ্রনাথ ' গ্রন্থটি। রবীন্দ্রনাথকে নিয়ে চর্বিত চর্বণ নয়, বরং ষড়যন্ত্রময় সাংস্কৃতিক রাজনীতি ও দানবীয় না-সংস্কৃতি আক্রান্ত মানুষের প্রিয় পৃথিবীকে সব দিক দিয়ে রক্ষা করার কবচকুণ্ডল এই পুস্তক-প্রয়াস।
প্রতীচ্যের সৃষ্টি ভুবন
₹200
সমস্ত সার্থক জিজ্ঞাসাই তত্ত্বজিজ্ঞাসা। তত্ত্বের পরিশীলিত দর্পনে উদ্ভাসিত মনন ও সৃষ্টির প্রকৃত তাৎপর্যই চিন্তাবিদ প্রাবান্ধিক তপোধীর ভট্টাচার্য এই বইয়ের বিভিন্ন প্রতিবেদনে স্পষ্ট করতে চেয়েছেন। তাঁর কেন্দ্রীয় প্রত্যয় হল,মানববিশ্বে সমস্ত বয়ানই কোন না কোনভাবে ভাষাদর্শ খচিত। কালে-কালান্তরে,দেশে-দেশান্তরে যত সাহিত্যকৃতি উদ্ভুত হয়েছে, সময়ের স্বর ও অন্তঃস্বর পরিশীলিত হয়েছে নান্দনিক ও সামাজিক চেতনার নিগৃঢ় দ্বিবাচনিকতায়।অর্ন্তরবস্তু ও প্রকরন,শিল্পভাষা ও সংবিদ, বিশ্বাস ও মূল্যবোধের অবিরত খননে কিভাবে দ্বিরালাপে সার্বিক প্রতিষ্ঠা ঘটে, প্রতিটি বয়ানে প্রাবন্ধিক তা বিরল নৈপুণ্য বিশ্লেষণ করেছেন।আধুনিকতাবাদী ও আধুনিকোত্তরবাদী চিন্তাপ্রস্থানের বিভিন্ন বিভঙ্গ যেমন পর্যালোচিত হয়েছে তেমনই অন্তর্ভেদী আলোকসম্পাতে উদ্ভাসিত হয়েছেন ফ্রেডরিক জেমসন ও রবো, ও এলিয়ট সহ মার্কেজ কার্পেস্তিয়ের ফুয়েন্তেজ।
প্রতীচ্যের সৃষ্টি ভুবন
₹200
সমস্ত সার্থক জিজ্ঞাসাই তত্ত্বজিজ্ঞাসা। তত্ত্বের পরিশীলিত দর্পনে উদ্ভাসিত মনন ও সৃষ্টির প্রকৃত তাৎপর্যই চিন্তাবিদ প্রাবান্ধিক তপোধীর ভট্টাচার্য এই বইয়ের বিভিন্ন প্রতিবেদনে স্পষ্ট করতে চেয়েছেন। তাঁর কেন্দ্রীয় প্রত্যয় হল,মানববিশ্বে সমস্ত বয়ানই কোন না কোনভাবে ভাষাদর্শ খচিত। কালে-কালান্তরে,দেশে-দেশান্তরে যত সাহিত্যকৃতি উদ্ভুত হয়েছে, সময়ের স্বর ও অন্তঃস্বর পরিশীলিত হয়েছে নান্দনিক ও সামাজিক চেতনার নিগৃঢ় দ্বিবাচনিকতায়।অর্ন্তরবস্তু ও প্রকরন,শিল্পভাষা ও সংবিদ, বিশ্বাস ও মূল্যবোধের অবিরত খননে কিভাবে দ্বিরালাপে সার্বিক প্রতিষ্ঠা ঘটে, প্রতিটি বয়ানে প্রাবন্ধিক তা বিরল নৈপুণ্য বিশ্লেষণ করেছেন।আধুনিকতাবাদী ও আধুনিকোত্তরবাদী চিন্তাপ্রস্থানের বিভিন্ন বিভঙ্গ যেমন পর্যালোচিত হয়েছে তেমনই অন্তর্ভেদী আলোকসম্পাতে উদ্ভাসিত হয়েছেন ফ্রেডরিক জেমসন ও রবো, ও এলিয়ট সহ মার্কেজ কার্পেস্তিয়ের ফুয়েন্তেজ।
দীপেন্দ্রনাথ বন্দোপাধ্যায় গল্পসমগ্র
₹500
দীপেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় একজন বাঙালি সাহিত্যিক ও প্রথিতযশা সাংবাদিক। তাঁর রচনা মননশীল পাঠকদের কাছে অত্যন্ত সমাদরপ্রাপ্ত ও অগ্রগণ্য। তাঁর গল্পগুলোর মধ্যে 'গ্রহণ (১৯৫২)', না (১৯৫২), শাঁখা-সিঁদুর (১৯৫৬), ঘাম (১৯৫৮), চর্যাপদের হরিণী (১৯৫৯), অশ্বমেধের ঘোড়া (১৯৬০), উৎসর্গ (১৯৬২) ইত্যাদি তার সাহিত্যমেধার পরিচয়জ্ঞাপক। নকশাল বিদ্রোহ ও ভারতের কমিউনিস্ট পার্টিগুলির আভ্যন্তরীণ ভাঙ্গন বিষয়ে তার গল্প 'শোকমিছিল (১৯৭৭)' এক মর্মস্পর্শী আখ্যান পেশ করে সেই সময়ের দলিল হিসেবে। তাঁর সব গল্পগুলি একসাথে এই বইটিতে তুলে ধরা হয়েছে।
দীপেন্দ্রনাথ বন্দোপাধ্যায় গল্পসমগ্র
₹500
দীপেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় একজন বাঙালি সাহিত্যিক ও প্রথিতযশা সাংবাদিক। তাঁর রচনা মননশীল পাঠকদের কাছে অত্যন্ত সমাদরপ্রাপ্ত ও অগ্রগণ্য। তাঁর গল্পগুলোর মধ্যে 'গ্রহণ (১৯৫২)', না (১৯৫২), শাঁখা-সিঁদুর (১৯৫৬), ঘাম (১৯৫৮), চর্যাপদের হরিণী (১৯৫৯), অশ্বমেধের ঘোড়া (১৯৬০), উৎসর্গ (১৯৬২) ইত্যাদি তার সাহিত্যমেধার পরিচয়জ্ঞাপক। নকশাল বিদ্রোহ ও ভারতের কমিউনিস্ট পার্টিগুলির আভ্যন্তরীণ ভাঙ্গন বিষয়ে তার গল্প 'শোকমিছিল (১৯৭৭)' এক মর্মস্পর্শী আখ্যান পেশ করে সেই সময়ের দলিল হিসেবে। তাঁর সব গল্পগুলি একসাথে এই বইটিতে তুলে ধরা হয়েছে।
দেড়শো গজে জীবন
₹200
১৯৭১-এর ভারত বাংলাদেশের মধ্যের বাউন্ডারি চুক্তি অনুসারে সিদ্ধান্ত হয় আন্তর্জাতিক সীমানা বা জিরো লাইন-এর দেড়শো গজের মধ্যে কেউ বসবাস করবে না ও সেখানে কোনো নির্মাণ কাজ হবে না। দুই দেশের স্বরাষ্ট্র সচিব পর্যায়ের আলোচনার ভিত্তিতে আশির দশকের শেষে ভারত দেড়শো গজ ছেড়ে বেড়া দেওয়ার কাজ শুরু করে। লক্ষ্য, অনুপ্রবেশ, চোরাচালান, পাচার বন্ধ করা। ২০১৩ থেকে ভারত সরকার বেড়াকে মজবুত, নিচ্ছিদ্র ও উঁচু বানানোর কাজে হাত দেয়। উদ্দেশ্য, যাতে কেউ কোনো ভাবে এপার ওপার না করতে পারে। দেড়শো গজের মানুষের অসহায়তা থেকে যায় অলক্ষ্যে। ভারাতের জিরো লাইন থেকে দেড়শো গজের বেড়া পার হয়ে আসার উপর কঠোর থেকে কঠোরতর নজরদারির একের পর এক নানা সরকারি পরিকল্পনা দেড়শো গজের মানুষদের দৈনন্দিন জীবন বিপদসঙ্কুল করে তোলা। সীমান্তরক্ষীদের অন্যায় অত্যাচার আর দাবীর পাশাপাশি থাকে নানা দুর্বৃত্তের ছোবল। ২০১৫য় ভারত বাংলাদেশ চুক্তির ফলে ছিটমহল হস্তান্তরের সিদ্ধান্ত নেয় দুই দেশ। কিন্তু দেড়শো গজের মানুষের জীবন থমকে থাকে। তারা যে অন্ধকারে ছিল সেই অন্ধকারেই থেকে যায়। কারণ তারা ছিটমহলের মানুষ নয়, উদ্বাস্তুও নয়, তারা দেড়শো গজের মানুষ। ঠিক যেমনটি দেখা যায় কোচবিহারে।
সসীমকুমার বাড়ৈ-এর " দেড়শো গজে জীবন " উপন্যাসটি এই প্রান্তিক মানুষদের জীবনভিত্তিক উপন্যাস। এ কাহিনি দেশ ভাগের ফলে সীমান্তে বসবাসকারী প্রান্তিক মানুষের ছিন্ন ভিন্ন হয়ে যাওয়া জীবনের কথা। এটা কোচবিহার অঞ্চলে কাটাতার আর আন্তর্জাতিক সীমানার মধ্যে আটকে পড়া 'নো ম্যানস ল্যান্ড'-এর মানুষদের কথা। তাদের দৈনন্দিন জীবনের নির্মম যন্ত্রণা ও প্রশাসনিক নির্লিপ্ততা ও অসহযোগিতার দৃশ্য উপন্যাসটির পাতায় পাতায় ফুটে ওঠে। দেড়শো গজের মানুষের অসহায়তার ছবি রূপান্তরিত হয় সংগঠিত প্রতিবাদ প্রতিরোধের হুংকারে।
দেড়শো গজে জীবন
₹200
১৯৭১-এর ভারত বাংলাদেশের মধ্যের বাউন্ডারি চুক্তি অনুসারে সিদ্ধান্ত হয় আন্তর্জাতিক সীমানা বা জিরো লাইন-এর দেড়শো গজের মধ্যে কেউ বসবাস করবে না ও সেখানে কোনো নির্মাণ কাজ হবে না। দুই দেশের স্বরাষ্ট্র সচিব পর্যায়ের আলোচনার ভিত্তিতে আশির দশকের শেষে ভারত দেড়শো গজ ছেড়ে বেড়া দেওয়ার কাজ শুরু করে। লক্ষ্য, অনুপ্রবেশ, চোরাচালান, পাচার বন্ধ করা। ২০১৩ থেকে ভারত সরকার বেড়াকে মজবুত, নিচ্ছিদ্র ও উঁচু বানানোর কাজে হাত দেয়। উদ্দেশ্য, যাতে কেউ কোনো ভাবে এপার ওপার না করতে পারে। দেড়শো গজের মানুষের অসহায়তা থেকে যায় অলক্ষ্যে। ভারাতের জিরো লাইন থেকে দেড়শো গজের বেড়া পার হয়ে আসার উপর কঠোর থেকে কঠোরতর নজরদারির একের পর এক নানা সরকারি পরিকল্পনা দেড়শো গজের মানুষদের দৈনন্দিন জীবন বিপদসঙ্কুল করে তোলা। সীমান্তরক্ষীদের অন্যায় অত্যাচার আর দাবীর পাশাপাশি থাকে নানা দুর্বৃত্তের ছোবল। ২০১৫য় ভারত বাংলাদেশ চুক্তির ফলে ছিটমহল হস্তান্তরের সিদ্ধান্ত নেয় দুই দেশ। কিন্তু দেড়শো গজের মানুষের জীবন থমকে থাকে। তারা যে অন্ধকারে ছিল সেই অন্ধকারেই থেকে যায়। কারণ তারা ছিটমহলের মানুষ নয়, উদ্বাস্তুও নয়, তারা দেড়শো গজের মানুষ। ঠিক যেমনটি দেখা যায় কোচবিহারে।
সসীমকুমার বাড়ৈ-এর " দেড়শো গজে জীবন " উপন্যাসটি এই প্রান্তিক মানুষদের জীবনভিত্তিক উপন্যাস। এ কাহিনি দেশ ভাগের ফলে সীমান্তে বসবাসকারী প্রান্তিক মানুষের ছিন্ন ভিন্ন হয়ে যাওয়া জীবনের কথা। এটা কোচবিহার অঞ্চলে কাটাতার আর আন্তর্জাতিক সীমানার মধ্যে আটকে পড়া 'নো ম্যানস ল্যান্ড'-এর মানুষদের কথা। তাদের দৈনন্দিন জীবনের নির্মম যন্ত্রণা ও প্রশাসনিক নির্লিপ্ততা ও অসহযোগিতার দৃশ্য উপন্যাসটির পাতায় পাতায় ফুটে ওঠে। দেড়শো গজের মানুষের অসহায়তার ছবি রূপান্তরিত হয় সংগঠিত প্রতিবাদ প্রতিরোধের হুংকারে।
রবীন্দ্রনাথ ও দলিতসমাজ
₹800
রবীন্দ্রনাথ নিজেই বলেছেন: 'আমি ব্রাত্য, আমি মন্ত্রহীন'। এটা কবির আপ্তবাক্য নয়। এটা তাঁর জীবন-অভিজ্ঞতারই মরমী প্রকাশ। রবীন্দ্রনাথ ছিলেন বর্ণাশ্রম-নিয়ন্ত্রিত সমাজের অভিশাপ 'পীরালি ব্রাহ্মণ'। এবং সেকারণে এক-ঘরে। সারা জীবন তাঁকে এই ধর্মভিত্তিক জাতিগত অস্পৃশ্যতার খেসারত দিতে হয়েছে। অন্য গোত্রের সঙ্গে তাঁদের পরিবারের বৈবাহিক সম্বন্ধ হতো না। ছিলো না সামাজিক সম্পর্কও। সমাজের নিম্নবর্গের মানুষের সঙ্গে তাই আজীবন ছিলো তাঁর সখ্যতা। 'রথের রশি' তিনি টানিয়েছেন নিম্নবর্গের অচ্ছুত মানুষদের দিয়ে। কিন্তু সংস্কারের কারণেই পুরীর মন্দিরে তাঁকে ঢুকতে দেয়া হয়নি। অঢেল বিত্ত-বেসাত থাকা সত্ত্বেও এবং নোবেল পুরস্কার পাওয়ার পরেও তাঁকে সামাজিক ও মানসিকভাবে চাপে থাকতে হয়েছে। তাঁর রচনায় তাই জাতপাত, বর্ণাশ্রম এবং জাতিগত-দ্বেষণার কথা বারে বারে এসেছে। ব্যক্তিজীবনে তিনি সরাসরি যুদ্ধ করেছেন অস্পৃশ্যতার বিরুদ্ধে। নমঃশূদ্রদের সম্মেলনে যোগ দিয়েছেন তিনি অসুস্থ শরীরে। নিম্নবর্গের মানুষের কল্যাণে বাস্তবায়নে সচেষ্ট থেকেছেন বিভিন্ন প্রকল্প নিয়ে। রবীন্দ্রনাথের ব্যক্তিজীবনের কাজকর্মে ও সাহিত্যে বিম্বিত এই সব বিষয় বিশ্লেষিত হয়েছে এ গ্রন্থের বিভিন্ন প্রবন্ধে। রবীন্দ্রনাথের অন্ত্যজ, ব্রাত্য মানুষেরাই একালের দলিত মানুষের পূর্বসূরি। দলিত-সাহিত্যের প্রেক্ষিতেই তাঁর সাহিত্যে সন্ধান করা হয়েছে একালের দলিতসমাজকে।
রবীন্দ্রনাথ ও দলিতসমাজ
₹800
রবীন্দ্রনাথ নিজেই বলেছেন: 'আমি ব্রাত্য, আমি মন্ত্রহীন'। এটা কবির আপ্তবাক্য নয়। এটা তাঁর জীবন-অভিজ্ঞতারই মরমী প্রকাশ। রবীন্দ্রনাথ ছিলেন বর্ণাশ্রম-নিয়ন্ত্রিত সমাজের অভিশাপ 'পীরালি ব্রাহ্মণ'। এবং সেকারণে এক-ঘরে। সারা জীবন তাঁকে এই ধর্মভিত্তিক জাতিগত অস্পৃশ্যতার খেসারত দিতে হয়েছে। অন্য গোত্রের সঙ্গে তাঁদের পরিবারের বৈবাহিক সম্বন্ধ হতো না। ছিলো না সামাজিক সম্পর্কও। সমাজের নিম্নবর্গের মানুষের সঙ্গে তাই আজীবন ছিলো তাঁর সখ্যতা। 'রথের রশি' তিনি টানিয়েছেন নিম্নবর্গের অচ্ছুত মানুষদের দিয়ে। কিন্তু সংস্কারের কারণেই পুরীর মন্দিরে তাঁকে ঢুকতে দেয়া হয়নি। অঢেল বিত্ত-বেসাত থাকা সত্ত্বেও এবং নোবেল পুরস্কার পাওয়ার পরেও তাঁকে সামাজিক ও মানসিকভাবে চাপে থাকতে হয়েছে। তাঁর রচনায় তাই জাতপাত, বর্ণাশ্রম এবং জাতিগত-দ্বেষণার কথা বারে বারে এসেছে। ব্যক্তিজীবনে তিনি সরাসরি যুদ্ধ করেছেন অস্পৃশ্যতার বিরুদ্ধে। নমঃশূদ্রদের সম্মেলনে যোগ দিয়েছেন তিনি অসুস্থ শরীরে। নিম্নবর্গের মানুষের কল্যাণে বাস্তবায়নে সচেষ্ট থেকেছেন বিভিন্ন প্রকল্প নিয়ে। রবীন্দ্রনাথের ব্যক্তিজীবনের কাজকর্মে ও সাহিত্যে বিম্বিত এই সব বিষয় বিশ্লেষিত হয়েছে এ গ্রন্থের বিভিন্ন প্রবন্ধে। রবীন্দ্রনাথের অন্ত্যজ, ব্রাত্য মানুষেরাই একালের দলিত মানুষের পূর্বসূরি। দলিত-সাহিত্যের প্রেক্ষিতেই তাঁর সাহিত্যে সন্ধান করা হয়েছে একালের দলিতসমাজকে।
